ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাহিদের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য : জামায়াতে ইসলামী

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:১৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬১৯ বার পড়া হয়েছে

 

নাহিদের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য : জামায়াতে ইসলামী

নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলন পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতারণা— জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের এমন বিস্ফোরক বক্তব্যের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

 

 

 

 

রোববার দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমকে বলেন, দায়িত্বশীল জায়গা থেকে নাহিদ ইসলামের পিআর নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলন ইস্যুতে এ ধরনের বক্তব্য অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য। যা কোনোভাবে সমর্থন করে না জামায়াতে ইসলামী।

 

এর আগে বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর তথাকথিত আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) আন্দোলন একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতারণা ছাড়া কিছুই ছিল না। জনগণের গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্র ও সংবিধানের পুনর্গঠনের প্রকৃত প্রশ্ন থেকে জাতীয় সংলাপ ও ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এ আন্দোলন করা হয়েছিল।

 

 

এনসিপির আহ্বায়ক পোস্টে লেখেন, ভোটের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (পিআর) ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠার দাবিটি ছিল সাংবিধানিক সুরক্ষা হিসেবে। আমরা এ ধরনের মৌলিক সংস্কার ঘিরে একটি আন্দোলন গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম এবং জুলাই সনদের আইনি কাঠামোকে বিস্তৃত জাতীয় ঐকমত্যের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু জামায়াত ও তার মিত্ররা এই এজেন্ডা হাইজ্যাক করে এটিকে শুধু পিআর ইস্যুতে পরিণত করে। এই পিআর আন্দোলনকে দলীয় হীন স্বার্থ আদায়ে দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। তাদের উদ্দেশ্য কখনোই সংস্কার ছিল না, এটি ছিল কৌশল মাত্র।

 

 

‘ঐকমত্য কমিশনের সংস্কারের প্রতি তাদের হঠাৎ সমর্থন কোনো দৃঢ় বিশ্বাসের কিছু ছিল না, বরং এটি ছিল কৌশলগত অনুপ্রবেশ, সংস্কারবাদের ছদ্মবেশে একটি রাজনৈতিক নাশকতা।’

 

বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রতারণা স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছে জানিয়ে তিনি লেখেন, তারা জেগে উঠেছে এবং আর কোনো মিথ্যা সংস্কারবাদী বা কৌশলী ব্যক্তিদের দ্বারা প্রতারিত হবে না। সর্বশক্তিমান (আল্লাহ) কিংবা এই দেশের সার্বভৌম জনগণ কেউই আর কখনো অসৎ, সুবিধাবাদী এবং নৈতিকভাবে দেউলিয়া শক্তিকে তাদের শাসন করতে দেবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রী সংস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে শিবির: রাকিব

নাহিদের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য : জামায়াতে ইসলামী

আপডেট সময় ১০:১৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

 

নাহিদের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য : জামায়াতে ইসলামী

নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলন পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতারণা— জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের এমন বিস্ফোরক বক্তব্যের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

 

 

 

 

রোববার দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমকে বলেন, দায়িত্বশীল জায়গা থেকে নাহিদ ইসলামের পিআর নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলন ইস্যুতে এ ধরনের বক্তব্য অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য। যা কোনোভাবে সমর্থন করে না জামায়াতে ইসলামী।

 

এর আগে বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর তথাকথিত আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) আন্দোলন একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতারণা ছাড়া কিছুই ছিল না। জনগণের গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্র ও সংবিধানের পুনর্গঠনের প্রকৃত প্রশ্ন থেকে জাতীয় সংলাপ ও ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এ আন্দোলন করা হয়েছিল।

 

 

এনসিপির আহ্বায়ক পোস্টে লেখেন, ভোটের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (পিআর) ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠার দাবিটি ছিল সাংবিধানিক সুরক্ষা হিসেবে। আমরা এ ধরনের মৌলিক সংস্কার ঘিরে একটি আন্দোলন গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম এবং জুলাই সনদের আইনি কাঠামোকে বিস্তৃত জাতীয় ঐকমত্যের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু জামায়াত ও তার মিত্ররা এই এজেন্ডা হাইজ্যাক করে এটিকে শুধু পিআর ইস্যুতে পরিণত করে। এই পিআর আন্দোলনকে দলীয় হীন স্বার্থ আদায়ে দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। তাদের উদ্দেশ্য কখনোই সংস্কার ছিল না, এটি ছিল কৌশল মাত্র।

 

 

‘ঐকমত্য কমিশনের সংস্কারের প্রতি তাদের হঠাৎ সমর্থন কোনো দৃঢ় বিশ্বাসের কিছু ছিল না, বরং এটি ছিল কৌশলগত অনুপ্রবেশ, সংস্কারবাদের ছদ্মবেশে একটি রাজনৈতিক নাশকতা।’

 

বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রতারণা স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছে জানিয়ে তিনি লেখেন, তারা জেগে উঠেছে এবং আর কোনো মিথ্যা সংস্কারবাদী বা কৌশলী ব্যক্তিদের দ্বারা প্রতারিত হবে না। সর্বশক্তিমান (আল্লাহ) কিংবা এই দেশের সার্বভৌম জনগণ কেউই আর কখনো অসৎ, সুবিধাবাদী এবং নৈতিকভাবে দেউলিয়া শক্তিকে তাদের শাসন করতে দেবে না।