ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধামরাইয়ে ভূমিকম্পে হেলে পড়া চারতলা ভবন দ্রুত সরানো হচ্ছে, স্বস্তিতে স্থানীয়রা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬০৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার ধামরাইয়ে ভূমিকম্পে হেলে পড়া চারতলা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলার কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ভবনটি পাশের ছয়তলা ভবনের ওপর হেলে পড়ে।

 

ভবনের মালিক মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন জানান, প্লটটিতে ছয় তলা ভবন করার অনুমতি থাকলেও পরবর্তীতে জমিটি দুই ভাগে বিক্রি করা হয়। এক ক্রেতা তিনতলা ভবন নির্মাণ করেন, আর পেছনের অংশে জিয়াউদ্দিন নিজে ভবন তোলেন। এছাড়া মাঝখানে প্রায় ১০ ফুট চওড়া ও ৪২ ফুট লম্বা জমি কিনে সেখানে করিডোরের মতো সংযুক্ত চারতলা বর্ধিত ভবন নির্মাণ করা হয়। ভূমিকম্পে সেটিই পুরোপুরি কাত হয়ে যায়।

 

 

প্রশাসনের নির্দেশনার পরপরই ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন মালিক। জিয়াউদ্দিনের ছেলে মোনায়েম বলেন, ভবনটি ভাঙার পরিকল্পনা আগেই ছিল। তবে ভূমিকম্পের পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় দ্রুত ভাঙার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে অর্ধেকের বেশি ভাঙা হয়েছে।

 

ভবনটি ভাঙা শুরু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামনুন আহমেদ অনীক বলেন, পরিদর্শনে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় তা ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন ভবন যত দ্রুত সরানো হবে, ততই মানুষের ঝুঁকি কমবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইউরোপের জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ: ইরানের বিপ্লবী গার্ড

ধামরাইয়ে ভূমিকম্পে হেলে পড়া চারতলা ভবন দ্রুত সরানো হচ্ছে, স্বস্তিতে স্থানীয়রা

আপডেট সময় ১১:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকার ধামরাইয়ে ভূমিকম্পে হেলে পড়া চারতলা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলার কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ভবনটি পাশের ছয়তলা ভবনের ওপর হেলে পড়ে।

 

ভবনের মালিক মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন জানান, প্লটটিতে ছয় তলা ভবন করার অনুমতি থাকলেও পরবর্তীতে জমিটি দুই ভাগে বিক্রি করা হয়। এক ক্রেতা তিনতলা ভবন নির্মাণ করেন, আর পেছনের অংশে জিয়াউদ্দিন নিজে ভবন তোলেন। এছাড়া মাঝখানে প্রায় ১০ ফুট চওড়া ও ৪২ ফুট লম্বা জমি কিনে সেখানে করিডোরের মতো সংযুক্ত চারতলা বর্ধিত ভবন নির্মাণ করা হয়। ভূমিকম্পে সেটিই পুরোপুরি কাত হয়ে যায়।

 

 

প্রশাসনের নির্দেশনার পরপরই ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন মালিক। জিয়াউদ্দিনের ছেলে মোনায়েম বলেন, ভবনটি ভাঙার পরিকল্পনা আগেই ছিল। তবে ভূমিকম্পের পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় দ্রুত ভাঙার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে অর্ধেকের বেশি ভাঙা হয়েছে।

 

ভবনটি ভাঙা শুরু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামনুন আহমেদ অনীক বলেন, পরিদর্শনে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় তা ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন ভবন যত দ্রুত সরানো হবে, ততই মানুষের ঝুঁকি কমবে।