ঢাকা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের মানুষের সমন্বয়ে গঠিত সমাজে পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন প্রধান নীতি হওয়া উচিত

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬০৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব সম্প্রতি ধর্মীয় সহাবস্থানের ওপর নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছেন।

ড. গালিব তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টে উল্লেখ করেন, ভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের মানুষের সমন্বয়ে গঠিত সমাজে পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন প্রধান নীতি হওয়া উচিত। তিনি লিখেছেন,

“যখন সমাজ ও রাষ্ট্রে একসাথে বসবাস করে ভিন্ন ধর্মের মানুষ, তখন এক ধর্মের লোককে অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। পাবলিকলি অবমাননাকর বা ডেরোগেটরি মন্তব্য করা নৈতিক ও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এর অভাবে সহাবস্থান বিঘ্নিত হয় এবং সমাজে অ্যানার্কি তৈরি হয়।”

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস, শিক্ষা এবং নবী-রাসূলের প্রতি মানুষের গভীর শ্রদ্ধা থাকা উচিত। মূর্খ এবং ইতরের মতো কোনো মন্তব্য করা বাকস্বাধীনতার প্রয়োগ নয়, বরং অত্যন্ত নিচু স্তরের অসভ্যতা, যা সভ্য সমাজে নৈতিক ও আইনগতভাবে নিন্দাযোগ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

ভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের মানুষের সমন্বয়ে গঠিত সমাজে পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন প্রধান নীতি হওয়া উচিত

আপডেট সময় ১২:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব সম্প্রতি ধর্মীয় সহাবস্থানের ওপর নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছেন।

ড. গালিব তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টে উল্লেখ করেন, ভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের মানুষের সমন্বয়ে গঠিত সমাজে পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন প্রধান নীতি হওয়া উচিত। তিনি লিখেছেন,

“যখন সমাজ ও রাষ্ট্রে একসাথে বসবাস করে ভিন্ন ধর্মের মানুষ, তখন এক ধর্মের লোককে অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। পাবলিকলি অবমাননাকর বা ডেরোগেটরি মন্তব্য করা নৈতিক ও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এর অভাবে সহাবস্থান বিঘ্নিত হয় এবং সমাজে অ্যানার্কি তৈরি হয়।”

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস, শিক্ষা এবং নবী-রাসূলের প্রতি মানুষের গভীর শ্রদ্ধা থাকা উচিত। মূর্খ এবং ইতরের মতো কোনো মন্তব্য করা বাকস্বাধীনতার প্রয়োগ নয়, বরং অত্যন্ত নিচু স্তরের অসভ্যতা, যা সভ্য সমাজে নৈতিক ও আইনগতভাবে নিন্দাযোগ্য