ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সন্দ্বীপে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে উপকূলীয় বন উজাড় ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৭৬ বার পড়া হয়েছে

 

সন্দ্বীপের মুছাপুর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলমের বিরুদ্ধে উপকূলীয় বন কেটে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি ও তার অনুসারীরা মগধরা ইউনিয়নের বন রাতে কাটছেন এবং কাটা গাছ স্থানীয় ইটভাটাসহ হাতিয়া ও সুবর্ণচরে পাচার করছেন। এতে দ্বীপ উপজেলার প্রধান উপকূল রক্ষা বাঁধ ও স্থানীয় পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মগধরার বিস্তৃত বন ১৯৯১ সালে কোস্টাল গ্রীনবেল্ট প্রকল্পের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলীয় এলাকা রক্ষার জন্য বনায়ন করা হয়েছিল। কিন্তু বন উজাড়ের ঘটনায় প্রশাসন এখনও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, বেড়িবাঁধসংলগ্ন বন ও চ্যানেল তীরবর্তী প্রতিরক্ষা-বন ক্ষতিগ্রস্ত হলে নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়বে।

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলম দাবি করেছেন, বনকাটা তার ব্যক্তিগত জমিতে হচ্ছে এবং তিনি সেই জমি লিজের মাধ্যমে নিয়েছেন। তবে বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন জানিয়েছেন, কোনো জমি বা বাগান কাটা হলে তার জন্য লিখিত আবেদন করতে হবে এবং মালিকানা প্রমাণিত হলে তবেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বলেছেন, তদন্তে দায়ী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


 

জনপ্রিয় সংবাদ

দায়িত্ব পেলে সরকারি গাড়ি নেব না, প্রয়োজনে পায়ে হাঁটবো: শফিকুর রহমান

সন্দ্বীপে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে উপকূলীয় বন উজাড় ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

 

সন্দ্বীপের মুছাপুর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলমের বিরুদ্ধে উপকূলীয় বন কেটে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি ও তার অনুসারীরা মগধরা ইউনিয়নের বন রাতে কাটছেন এবং কাটা গাছ স্থানীয় ইটভাটাসহ হাতিয়া ও সুবর্ণচরে পাচার করছেন। এতে দ্বীপ উপজেলার প্রধান উপকূল রক্ষা বাঁধ ও স্থানীয় পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মগধরার বিস্তৃত বন ১৯৯১ সালে কোস্টাল গ্রীনবেল্ট প্রকল্পের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলীয় এলাকা রক্ষার জন্য বনায়ন করা হয়েছিল। কিন্তু বন উজাড়ের ঘটনায় প্রশাসন এখনও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, বেড়িবাঁধসংলগ্ন বন ও চ্যানেল তীরবর্তী প্রতিরক্ষা-বন ক্ষতিগ্রস্ত হলে নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়বে।

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলম দাবি করেছেন, বনকাটা তার ব্যক্তিগত জমিতে হচ্ছে এবং তিনি সেই জমি লিজের মাধ্যমে নিয়েছেন। তবে বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন জানিয়েছেন, কোনো জমি বা বাগান কাটা হলে তার জন্য লিখিত আবেদন করতে হবে এবং মালিকানা প্রমাণিত হলে তবেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বলেছেন, তদন্তে দায়ী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।