সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক নিলুফার চৌধুরী মনি দাবি করেছেন, শহীদ হাদির জানাজা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা ছিল না; বরং এটি ছিল পরিকল্পিত ও সুপরিকল্পিত একটি ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’। তিনি বলেন, এই নকশার হিসাব অন্যখানে, এবং এটি ষড়যন্ত্রের ওপর আরেকটি বড় ষড়যন্ত্র।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনের ‘সমঝোতার রাজনীতি’ শীর্ষক টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে তার বিপরীতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা-২ আসনের প্রার্থী হাসান আল মামুন।
টকশোতে উপস্থাপক গণঅধিকার পরিষদ অন্য কোনো দলের জোটে যুক্ত হলে বিএনপির জন্য তা চ্যালেঞ্জ হবে কি না—এমন প্রশ্ন তুললে জবাবে নিলুফার মনি জামায়াতের চলমান ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’-এর প্রসঙ্গ আনেন। এ সময় তিনি শহীদ হাদির জানাজার উদাহরণ টেনে বলেন, এটি ঐতিহাসিক নয়, বরং পরিকল্পিত ছিল। উপস্থাপক ‘ঐতিহাসিক’ বললেও তিনি তা নাকচ করে ‘মেটিক্যুলাস’ শব্দটি পুনরায় ব্যবহার করেন।
নিলুফার মনি বলেন, জানাজায় বিবেকের তাড়নায় যারা অংশ নিয়েছেন, তাদের তিনি অভিযুক্ত করছেন না। তবে তিনি দাবি করেন, সারা বাংলাদেশ থেকে মানুষ আনা হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য, যা তিনি একটি ‘বিপ্লবী সরকার’ গঠনের প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এটি শুধু তার বক্তব্য নয়; অতীতে সাংবাদিকতায় যুক্ত থাকা ব্যক্তিরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের আশঙ্কার কথা লিখেছেন।
উপস্থাপক এ ধরনের কোনো দৃশ্যমান লক্ষণের কথা অস্বীকার করলে নিলুফার মনি প্রশ্ন তোলেন, সংসদ ভবনের দিকে দৌড়ানোর ঘটনা কি ঘটেনি এবং বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হয়নি কি না। তিনি আরও বলেন, রাজনীতির সঙ্গে অপরাজনীতি, মৃত্যুর সঙ্গে অপমৃত্যু এবং এর সঙ্গে আরও অনেক অপ্রকাশিত বিষয় তারা দেখেছেন, যেগুলো এখন প্রকাশের সময় হয়নি। সময় এলে তিনি আরও বিস্তারিত বলবেন বলেও মন্তব্য করেন।




















