বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আলোচনার বিস্তারিত বা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি তিনি।
অন্যদিকে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব জানিয়েছেন, জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বিষয় চূড়ান্ত হয়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক এবং বিলুপ্ত গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি সামনে আনেন।
পোস্টে তিনি লেখেন,
“তারুণ্যের রাজনীতির কবর রচিত হতে যাচ্ছে। এনসিপি অবশেষে জামায়াতের সঙ্গেই সরাসরি জোট বাঁধছে। সারাদেশের মানুষ ও নেতাকর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক নেতার স্বার্থ হাসিল করতেই এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল এই জোটের ঘোষণা আসতে পারে। এর মধ্য দিয়ে কার্যত এনসিপি জামায়াতের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।”
আব্দুল কাদের তার পোস্টে আরও দাবি করেন, শুরুতে এনসিপি জামায়াতের কাছে ৫০টি আসন দাবি করলেও দর কষাকষির শেষ পর্যায়ে তা ৩০ আসনে নেমে এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জোটের শর্তে এনসিপি বাকি ২৭০টি আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না এবং সেসব আসনে জামায়াতকে সহযোগিতা করবে।
তবে এনসিপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এসব দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করা হয়নি। দলটির নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং যেকোনো সিদ্ধান্ত দলীয় ফোরামের মাধ্যমে জানানো হবে।




















