ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেহরক্ষী ও বাসভবনে নিরাপত্তা পেলেন জামায়াতের আমির

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫২৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-১৫ আসনের এমপি প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী বা গানম্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে তার বাসভবনের নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের উচ্চমাত্রার নিরাপত্তার ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে গানম্যান নিয়োজিত করা ও বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ নিয়োজিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।

এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের জন্য সার্বক্ষণিক গানম্যান ও বাসভবনের নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ সদস্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়।

দলের অফিস সেক্রেটারি আ ফ ম আবদুস সাত্তার আবেদনটি করেন। এ আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে গানম্যান ও বাসভবনে নিরাপত্তা দেওয়ার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এখন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ চারজনকে গানম্যান দেওয়া হলো।

এর আগে চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও বিএনপি নেতা মাসুদ অরুণ গানম্যান পেয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অস্ত্রের লাইসেন্স ও অস্ত্রধারী দেহরক্ষী চেয়ে আবেদন করেছিলেন ২০ জনের মতো রাজনীতিবিদ। কারও কারও ক্ষেত্রে দলের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সেসব আবেদনের বিষয়ে এখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

১৪ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৫’ জারি করে। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী নিয়োগে এই নীতিমালা করা হয়। নীতিমালা জারির পর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন বাড়তে থাকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হ্যাঁ ভোটে বিজয় এলে সাংবাদিকদের দিকে কেউ চোখ রাঙাতে পারবে না: মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ

দেহরক্ষী ও বাসভবনে নিরাপত্তা পেলেন জামায়াতের আমির

আপডেট সময় ১১:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-১৫ আসনের এমপি প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী বা গানম্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে তার বাসভবনের নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের উচ্চমাত্রার নিরাপত্তার ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে গানম্যান নিয়োজিত করা ও বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ নিয়োজিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।

এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের জন্য সার্বক্ষণিক গানম্যান ও বাসভবনের নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ সদস্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়।

দলের অফিস সেক্রেটারি আ ফ ম আবদুস সাত্তার আবেদনটি করেন। এ আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে গানম্যান ও বাসভবনে নিরাপত্তা দেওয়ার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এখন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ চারজনকে গানম্যান দেওয়া হলো।

এর আগে চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও বিএনপি নেতা মাসুদ অরুণ গানম্যান পেয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অস্ত্রের লাইসেন্স ও অস্ত্রধারী দেহরক্ষী চেয়ে আবেদন করেছিলেন ২০ জনের মতো রাজনীতিবিদ। কারও কারও ক্ষেত্রে দলের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সেসব আবেদনের বিষয়ে এখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

১৪ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৫’ জারি করে। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী নিয়োগে এই নীতিমালা করা হয়। নীতিমালা জারির পর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন বাড়তে থাকে।