ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমাকে ভোট দিন, জয়ী হলে সবার বিয়ের ব্যবস্থা করব: এমপি প্রার্থী আশা মণি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:১৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

এবার বড় বড় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং ভোটারদের কাছে ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে ভোট চেয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিচিত্র প্রতিশ্রুতি দেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

নির্বাচনী মাঠে তরুণ ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহের মধ্যে আশা মণি বলেন, ‘অনেক তরুণ ভাই আমাকে বলছেন, আপা আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। তাদের উদ্দেশ্যে আমার কথা—আমাকে একটা করে ভোট দিন, আমি বিজয়ী হলে আপনাদের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেব।’ শুধু তরুণরাই নন, দাদা-দাদি থেকে শুরু করে নানা-নানি ও চাচা-চাচি—সবার কাছেই ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে একটি করে ভোট চেয়েছেন তিনি।

এদিকে আশা মণির এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসের জোয়ার বইছে। জয়দেব দেবনাথ নামের এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘কেউ দিতে চাচ্ছে বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড, আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী!’

উল্লেখ্য, এর আগেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আশা মণি, তবে সেবার তিনি মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি ভোট পান। ভোটের সমীকরণ যাই হোক, স্থানীয় সমাজকর্মী আম্বিয়া খাতুন মনে করেন, নারী ক্ষমতায়ন ও অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আশা মণি একজন সাহসী পথযাত্রী।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার তারেক রহমানের আসনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে নারীদের বড় শোডাউন

আমাকে ভোট দিন, জয়ী হলে সবার বিয়ের ব্যবস্থা করব: এমপি প্রার্থী আশা মণি

আপডেট সময় ০৪:১৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

এবার বড় বড় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং ভোটারদের কাছে ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে ভোট চেয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিচিত্র প্রতিশ্রুতি দেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

নির্বাচনী মাঠে তরুণ ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহের মধ্যে আশা মণি বলেন, ‘অনেক তরুণ ভাই আমাকে বলছেন, আপা আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। তাদের উদ্দেশ্যে আমার কথা—আমাকে একটা করে ভোট দিন, আমি বিজয়ী হলে আপনাদের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেব।’ শুধু তরুণরাই নন, দাদা-দাদি থেকে শুরু করে নানা-নানি ও চাচা-চাচি—সবার কাছেই ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে একটি করে ভোট চেয়েছেন তিনি।

এদিকে আশা মণির এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসের জোয়ার বইছে। জয়দেব দেবনাথ নামের এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘কেউ দিতে চাচ্ছে বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড, আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী!’

উল্লেখ্য, এর আগেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আশা মণি, তবে সেবার তিনি মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি ভোট পান। ভোটের সমীকরণ যাই হোক, স্থানীয় সমাজকর্মী আম্বিয়া খাতুন মনে করেন, নারী ক্ষমতায়ন ও অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আশা মণি একজন সাহসী পথযাত্রী।