ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অতি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও নেই নেতানিয়াহু, জোরালো হচ্ছে মৃত্যুর গুঞ্জন

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:২২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫২১ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো কোনো উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা ক্যাবিনেট বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কোনো আগাম ঘোষণা বা ব্যাখ্যা ছাড়াই প্রধানমন্ত্রীর এই রহস্যজনক অনুপস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতের ১৬তম দিনে এসে দেশের প্রধান নির্বাহীর জনসমক্ষে না আসা বা গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী বৈঠকে অংশ না নেওয়াকে অত্যন্তঅস্বাভাবিকহিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

ইরানি নেতৃত্বের ওপর ইসরায়েলি হামলা এবং তার পাল্টা জবাবে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এখন চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমন সংকটময় মুহূর্তে রোববার (১৫ মার্চ) ইসরায়েলে বিশেষ নিরাপত্তা ক্যাবিনেট এবং মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত এসব স্পর্শকাতর বৈঠক নেতানিয়াহু নিজেই পরিচালনা করে থাকেন। তবে রোববারের বৈঠকে তার আসনটি খালি ছিল। জর্ডানভিত্তিক সংবাদমাধ্যমরয়া নিউজএক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল, সেখানে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতি সবাইকে অবাক করেছে। তার পরিবর্তে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রীরা এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা না আসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার গুরুতর অসুস্থতা কিংবা মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন জোরালো হচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি কমান্ড সেন্টার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর থেকেই এই রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে।  সংবাদমাধ্যমগ্লোব অবজারভার’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজকের উচ্চ স্তরের নিরাপত্তা বৈঠকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কার্যতনিখোঁজ প্রধানমন্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ গুরুত্বপূর্ণ এই নিরাপত্তা বৈঠকের সভাপতিত্ব করেছেন। যুদ্ধের এই সন্ধিক্ষণে, যখন প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত হিসেব করে নিতে হয়, তখন নেতার অনুপস্থিতি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মনোবলেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখন পর্যন্ত এই অনুপস্থিতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে কোনো ভিডিও প্রমাণ দেওয়া হয়নি। গত কয়েকদিন ধরে নেতানিয়াহুর কোনো সরাসরি উপস্থিতি না থাকায় অনেকেই মনে করছেন, তিনি হয়তো কোনো গোপন বাংকারে আশ্রয় নিয়েছেন অথবা কোনো ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন।  কয়েকদিন আগে তেহরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থাতাসনিমদাবি করেছে, ইরানের সাম্প্রতিক এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহুর গোপন আস্তানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিনি সম্ভবত নিহত অথবা অত্যন্ত গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। যদিও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই দাবিকেফেক নিউজবা ভিত্তিহীন তথ্য হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছে।  তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং পর্দার অন্তরাল থেকে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছেন।

নেতানিয়াহুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে রহস্য আরও গভীর হয়েছে গত শুক্রবার প্রকাশিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় দেখা যায় নেতানিয়াহু পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন। তবে নেটিজেনদের একটি অংশ দাবি করেছেন, ভিডিওতে নেতানিয়াহুর হাতের আঙুল এবং অঙ্গভঙ্গি অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে, যাডিপফেকবা এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি করার ইঙ্গিত দেয়। এমনকি এক পর্যায়ে তার হাতে ছয়টি আঙুল দেখা গেছে বলেও অনেকে দাবি করেছেন। যদিও ফ্যাক্টচেকাররা একেক্যামেরা অ্যাঙ্গেলবা লেন্সের কারসাজি বলে দাবি করেছেন, তবুও প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘকালীন নীরবতা এই জল্পনাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, যুদ্ধের এই সংকটময় সময়ে নেতানিয়াহুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার অবস্থান নিয়মিত পরিবর্তন করা হচ্ছে এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখা হচ্ছে। এমনকি মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সিনিয়র উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের পরিকল্পিত ইসরায়েল সফর আকস্মিকভাবে বাতিল হওয়ায় গুঞ্জনটি আরও শক্তিশালী হয়েছে।

এদিকে, রোববার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের ওয়েবসাইটে এক কড়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু যদি এখনো বেঁচে থাকেন, তবে তারা তাকে খুঁজে বের করে নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান থামাবে না।  আইআরজিসি জানায়, “আমরা এই শিশুহত্যাকারী অপরাধীকে পূর্ণ শক্তিতে ধাওয়া অব্যাহত রাখব।  উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা ছাড়াই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রথম আঘাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারকে হত্যা করে তারা। সেইসঙ্গে হত্যা করা হয় ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কমান্ডারকেও। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলসহ বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরানও।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা বাদে হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত: ইরান

অতি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও নেই নেতানিয়াহু, জোরালো হচ্ছে মৃত্যুর গুঞ্জন

আপডেট সময় ০২:২২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো কোনো উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা ক্যাবিনেট বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কোনো আগাম ঘোষণা বা ব্যাখ্যা ছাড়াই প্রধানমন্ত্রীর এই রহস্যজনক অনুপস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতের ১৬তম দিনে এসে দেশের প্রধান নির্বাহীর জনসমক্ষে না আসা বা গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী বৈঠকে অংশ না নেওয়াকে অত্যন্তঅস্বাভাবিকহিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

ইরানি নেতৃত্বের ওপর ইসরায়েলি হামলা এবং তার পাল্টা জবাবে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এখন চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমন সংকটময় মুহূর্তে রোববার (১৫ মার্চ) ইসরায়েলে বিশেষ নিরাপত্তা ক্যাবিনেট এবং মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত এসব স্পর্শকাতর বৈঠক নেতানিয়াহু নিজেই পরিচালনা করে থাকেন। তবে রোববারের বৈঠকে তার আসনটি খালি ছিল। জর্ডানভিত্তিক সংবাদমাধ্যমরয়া নিউজএক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল, সেখানে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতি সবাইকে অবাক করেছে। তার পরিবর্তে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রীরা এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা না আসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার গুরুতর অসুস্থতা কিংবা মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন জোরালো হচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি কমান্ড সেন্টার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর থেকেই এই রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে।  সংবাদমাধ্যমগ্লোব অবজারভার’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজকের উচ্চ স্তরের নিরাপত্তা বৈঠকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কার্যতনিখোঁজ প্রধানমন্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ গুরুত্বপূর্ণ এই নিরাপত্তা বৈঠকের সভাপতিত্ব করেছেন। যুদ্ধের এই সন্ধিক্ষণে, যখন প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত হিসেব করে নিতে হয়, তখন নেতার অনুপস্থিতি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মনোবলেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখন পর্যন্ত এই অনুপস্থিতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে কোনো ভিডিও প্রমাণ দেওয়া হয়নি। গত কয়েকদিন ধরে নেতানিয়াহুর কোনো সরাসরি উপস্থিতি না থাকায় অনেকেই মনে করছেন, তিনি হয়তো কোনো গোপন বাংকারে আশ্রয় নিয়েছেন অথবা কোনো ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন।  কয়েকদিন আগে তেহরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থাতাসনিমদাবি করেছে, ইরানের সাম্প্রতিক এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহুর গোপন আস্তানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিনি সম্ভবত নিহত অথবা অত্যন্ত গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। যদিও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই দাবিকেফেক নিউজবা ভিত্তিহীন তথ্য হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছে।  তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং পর্দার অন্তরাল থেকে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছেন।

নেতানিয়াহুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে রহস্য আরও গভীর হয়েছে গত শুক্রবার প্রকাশিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় দেখা যায় নেতানিয়াহু পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন। তবে নেটিজেনদের একটি অংশ দাবি করেছেন, ভিডিওতে নেতানিয়াহুর হাতের আঙুল এবং অঙ্গভঙ্গি অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে, যাডিপফেকবা এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি করার ইঙ্গিত দেয়। এমনকি এক পর্যায়ে তার হাতে ছয়টি আঙুল দেখা গেছে বলেও অনেকে দাবি করেছেন। যদিও ফ্যাক্টচেকাররা একেক্যামেরা অ্যাঙ্গেলবা লেন্সের কারসাজি বলে দাবি করেছেন, তবুও প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘকালীন নীরবতা এই জল্পনাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, যুদ্ধের এই সংকটময় সময়ে নেতানিয়াহুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার অবস্থান নিয়মিত পরিবর্তন করা হচ্ছে এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখা হচ্ছে। এমনকি মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সিনিয়র উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের পরিকল্পিত ইসরায়েল সফর আকস্মিকভাবে বাতিল হওয়ায় গুঞ্জনটি আরও শক্তিশালী হয়েছে।

এদিকে, রোববার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের ওয়েবসাইটে এক কড়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু যদি এখনো বেঁচে থাকেন, তবে তারা তাকে খুঁজে বের করে নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান থামাবে না।  আইআরজিসি জানায়, “আমরা এই শিশুহত্যাকারী অপরাধীকে পূর্ণ শক্তিতে ধাওয়া অব্যাহত রাখব।  উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা ছাড়াই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রথম আঘাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারকে হত্যা করে তারা। সেইসঙ্গে হত্যা করা হয় ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কমান্ডারকেও। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলসহ বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরানও।