ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন থালাপতি বিজয়

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:১৫:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনার পর অবশেষে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। রোববার  চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়ামএ অনুষ্ঠিত হয়েছে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। বিজয়ের সঙ্গেই শপথ নেবেন আরও নয়জন। সেই তালিকায় রয়েছে, কেএ সেনগোত্তাইয়ান। নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এডিএমকে থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি। শপথ নিচ্ছেন বিজয়ের ভোটককুশলী আধব অর্জুন। তামিলাগা ভেত্রি কাজাখাম (টিভিকে)-র জয়ের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর।  তিনি লটারি ব্যবসায়ী সান্টিয়াগো মার্টিনের জামাই। শপথ নেওয়ার তালিকায় রয়েছেন নির্মল কুমার। তিনি বিজেপি ছেড়ে টিভিকেতে যোগ দিয়েছেন। মাদুরাইয়ের তিরুপারানকুন্দ্রম আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।টিভিকের সাধারণ সম্পাদক আনন্দও শপথ নেবেন। দলের সংগঠনের রাশ ছিল অনেকটাই তাঁর হাতে। চেন্নাইয়ের টিনগর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।

সম্ভাব্য মন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু। শপথ নেবেন অরুণ রাজ। তিনি পেশায় চিকিৎসক। আইআরএসের চাকরি ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজয়ের দলে। চেন্নাইয়ের মায়লাপুরের নতুন বিধায়ক পি ভেঙ্কটারামনন বিজয়ের সরকারেরব্রাহ্মণ মুখহতে চলেছেন। যাঁরা শপথ নিচ্ছেন রবিবার, তাঁদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হলেন কীর্তন। বিরুধুনগর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন তিনি। 

অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা ৫১ বছর বয়সী বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ২৩৪টির মধ্যে ১০৮টি আসনে জয় লাভ করে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে তাকে টানা পাঁচ দিন আলোচনা চালাতে হয় এবং গভর্নরের সঙ্গে চার দফা বৈঠক করেন।

শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের পাঁচজন, বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চির দুইজন, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর দুইজন করে এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের দুই বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিজয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন। দুইটি আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ায় একটি আসন ছাড়তে হবে বিজয়কে। এরপরও তার জোটের মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়াবে ১২০ জনে। এই সরকার গঠনের মাধ্যমে প্রায় ৬০ বছর পর তামিলনাড়ুতে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের বাইরে অন্য কোনো দলের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রী সংস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে শিবির: রাকিব

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন থালাপতি বিজয়

আপডেট সময় ১১:১৫:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনার পর অবশেষে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। রোববার  চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়ামএ অনুষ্ঠিত হয়েছে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। বিজয়ের সঙ্গেই শপথ নেবেন আরও নয়জন। সেই তালিকায় রয়েছে, কেএ সেনগোত্তাইয়ান। নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এডিএমকে থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি। শপথ নিচ্ছেন বিজয়ের ভোটককুশলী আধব অর্জুন। তামিলাগা ভেত্রি কাজাখাম (টিভিকে)-র জয়ের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর।  তিনি লটারি ব্যবসায়ী সান্টিয়াগো মার্টিনের জামাই। শপথ নেওয়ার তালিকায় রয়েছেন নির্মল কুমার। তিনি বিজেপি ছেড়ে টিভিকেতে যোগ দিয়েছেন। মাদুরাইয়ের তিরুপারানকুন্দ্রম আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।টিভিকের সাধারণ সম্পাদক আনন্দও শপথ নেবেন। দলের সংগঠনের রাশ ছিল অনেকটাই তাঁর হাতে। চেন্নাইয়ের টিনগর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।

সম্ভাব্য মন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু। শপথ নেবেন অরুণ রাজ। তিনি পেশায় চিকিৎসক। আইআরএসের চাকরি ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজয়ের দলে। চেন্নাইয়ের মায়লাপুরের নতুন বিধায়ক পি ভেঙ্কটারামনন বিজয়ের সরকারেরব্রাহ্মণ মুখহতে চলেছেন। যাঁরা শপথ নিচ্ছেন রবিবার, তাঁদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হলেন কীর্তন। বিরুধুনগর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন তিনি। 

অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা ৫১ বছর বয়সী বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ২৩৪টির মধ্যে ১০৮টি আসনে জয় লাভ করে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে তাকে টানা পাঁচ দিন আলোচনা চালাতে হয় এবং গভর্নরের সঙ্গে চার দফা বৈঠক করেন।

শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের পাঁচজন, বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চির দুইজন, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর দুইজন করে এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের দুই বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিজয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন। দুইটি আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ায় একটি আসন ছাড়তে হবে বিজয়কে। এরপরও তার জোটের মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়াবে ১২০ জনে। এই সরকার গঠনের মাধ্যমে প্রায় ৬০ বছর পর তামিলনাড়ুতে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের বাইরে অন্য কোনো দলের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলো।