ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজেই গ্রাফিতি অঙ্কন করে পরিস্থিতি শান্ত করলেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:০৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরীতে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলা ও পুনরায় অঙ্কনকে কেন্দ্র করে টানা দুই দিন ধরে উত্তেজনা, ধস্তাধস্তি এবং রাজনৈতিক মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত নিজে গিয়ে পুনরায় গ্রাফিতি আঁকলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সোমবার (১৮ মে) রাতের দিকে নগরীর টাইগারপাস এলাকায় নিজ হাতে গ্রাফিতি অঙ্কন করে পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্যোগ নেন তিনি। একই সময় বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরাও গ্রাফিতি অঙ্কনে অংশ নেন, ফলে রাতভর এলাকায় কর্মসূচি চলতে থাকে। এর আগে দিনব্যাপী উত্তেজনার সূচনা হয় শহীদ ওয়াসিম আকরাম এক্সপ্রেসওয়ের পিলারে গ্রাফিতি অঙ্কনকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ ওঠে, নগর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কিছু গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়, যা নিয়ে রাজনৈতিক দল ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভাসমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দুপুরে টাইগারপাস এলাকায় শিক্ষার্থীরা পুনরায় গ্রাফিতি আঁকার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার সময় পুলিশের সঙ্গে কিছু শিক্ষার্থীর ধস্তাধস্তির অভিযোগও ওঠে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে এক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে পুলিশের আচরণ নিয়ে সমালোচনা দেখা দেয়।

উত্তেজনার মধ্যেও সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পথে যায়, যখন মেয়র নিজে উপস্থিত হয়ে গ্রাফিতি অঙ্কনের উদ্বোধন করেন। তার উপস্থিতিতে চারুকলার শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। একই সময়ে শহরের অপর পাশে এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরাও আলাদাভাবে গ্রাফিতি আঁকায় যুক্ত হন, যা পুরো এলাকায় এক ধরনের নিয়ন্ত্রিত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে। বর্তমানে নগরীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে, তবে ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব ও উত্তাপ এখনো আলোচনায় রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নিজেই গ্রাফিতি অঙ্কন করে পরিস্থিতি শান্ত করলেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র

আপডেট সময় ০২:০৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীতে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলা ও পুনরায় অঙ্কনকে কেন্দ্র করে টানা দুই দিন ধরে উত্তেজনা, ধস্তাধস্তি এবং রাজনৈতিক মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত নিজে গিয়ে পুনরায় গ্রাফিতি আঁকলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সোমবার (১৮ মে) রাতের দিকে নগরীর টাইগারপাস এলাকায় নিজ হাতে গ্রাফিতি অঙ্কন করে পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্যোগ নেন তিনি। একই সময় বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরাও গ্রাফিতি অঙ্কনে অংশ নেন, ফলে রাতভর এলাকায় কর্মসূচি চলতে থাকে। এর আগে দিনব্যাপী উত্তেজনার সূচনা হয় শহীদ ওয়াসিম আকরাম এক্সপ্রেসওয়ের পিলারে গ্রাফিতি অঙ্কনকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ ওঠে, নগর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কিছু গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়, যা নিয়ে রাজনৈতিক দল ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভাসমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দুপুরে টাইগারপাস এলাকায় শিক্ষার্থীরা পুনরায় গ্রাফিতি আঁকার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার সময় পুলিশের সঙ্গে কিছু শিক্ষার্থীর ধস্তাধস্তির অভিযোগও ওঠে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে এক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে পুলিশের আচরণ নিয়ে সমালোচনা দেখা দেয়।

উত্তেজনার মধ্যেও সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পথে যায়, যখন মেয়র নিজে উপস্থিত হয়ে গ্রাফিতি অঙ্কনের উদ্বোধন করেন। তার উপস্থিতিতে চারুকলার শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। একই সময়ে শহরের অপর পাশে এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরাও আলাদাভাবে গ্রাফিতি আঁকায় যুক্ত হন, যা পুরো এলাকায় এক ধরনের নিয়ন্ত্রিত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে। বর্তমানে নগরীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে, তবে ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব ও উত্তাপ এখনো আলোচনায় রয়েছে।