ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবারের হজে খুতবা অনুবাদ করা হবে বাংলাসহ ৫০টি ভাষায়

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:১৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ৫১৯ বার পড়া হয়েছে

এবারের হজ মৌসুমে পবিত্র মক্কা নগরী পরিণত হবে বিশ্বের নানা ভাষার মিলনমেলায়। আরবির পাশাপাশি বাংলা, উর্দু, ইন্দোনেশিয়ান, তুর্কি, ফার্সি ইংরেজি, ফরাসি ও সোয়াহিলিসহ বিভিন্ন ভাষার শব্দে মুখর হয়ে উঠবে পবিত্র নগরী। সোমবার (১৮ মে) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ এ তথ্য জানায়। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের এই বৈচিত্র্য মুসলিম উম্মাহর ঐক্যেরই প্রতিচ্ছবি। ভিন্ন সংস্কৃতি ও ভাষার মানুষ একসঙ্গে তাওয়াফ, দোয়া ও ধর্মীয় আচার পালনে অংশ নেন।

ভাষাগত বাধা দূর করতে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। গ্র্যান্ড মসজিদ ও নবীর মসজিদের তত্ত্বাবধানের জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষ গ্র্যান্ড মসজিদের খুতবা ১০টি ভাষায় একযোগে অনুবাদের ব্যবস্থা করেছে।মানারাত আলহারামাইনপ্ল্যাটফর্ম ও এফএম রেডিওর মাধ্যমে এসব অনুবাদ শুনতে পারবেন হাজিরা।

এছাড়া ৫০টির বেশি ভাষায় দিকনির্দেশনা ও ধর্মীয় তথ্য দিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ওয়্যারলেস হেডফোন ও ডিজিটাল গাইড কার্ড। পবিত্র মসজিদুল হারামের ভেতরে রয়েছে বহুভাষিক বই, নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড, ইলেকট্রনিক স্ক্রিন এবং বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত পবিত্র কোরআনের কপি।

পবিত্র হজের জন্য বিভিন্ন স্থানে নিয়োজিত বহুভাষিক স্বেচ্ছাসেবক ও ফিল্ড টিম হাজিদের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় নির্দেশনায় সহায়তা করছেন। এর ফলে হজযাত্রীরা আরও সহজ ও নিরাপদভাবে ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করতে পারছেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব উদ্যোগ শুধু ভাষাগত সহায়তাই নয়, বরং ইসলামের বার্তা ও হজসেবাকে আরও সহজভাবে বিশ্বের মুসলমানদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও আলোচিত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ

এবারের হজে খুতবা অনুবাদ করা হবে বাংলাসহ ৫০টি ভাষায়

আপডেট সময় ০৩:১৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

এবারের হজ মৌসুমে পবিত্র মক্কা নগরী পরিণত হবে বিশ্বের নানা ভাষার মিলনমেলায়। আরবির পাশাপাশি বাংলা, উর্দু, ইন্দোনেশিয়ান, তুর্কি, ফার্সি ইংরেজি, ফরাসি ও সোয়াহিলিসহ বিভিন্ন ভাষার শব্দে মুখর হয়ে উঠবে পবিত্র নগরী। সোমবার (১৮ মে) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ এ তথ্য জানায়। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের এই বৈচিত্র্য মুসলিম উম্মাহর ঐক্যেরই প্রতিচ্ছবি। ভিন্ন সংস্কৃতি ও ভাষার মানুষ একসঙ্গে তাওয়াফ, দোয়া ও ধর্মীয় আচার পালনে অংশ নেন।

ভাষাগত বাধা দূর করতে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। গ্র্যান্ড মসজিদ ও নবীর মসজিদের তত্ত্বাবধানের জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষ গ্র্যান্ড মসজিদের খুতবা ১০টি ভাষায় একযোগে অনুবাদের ব্যবস্থা করেছে।মানারাত আলহারামাইনপ্ল্যাটফর্ম ও এফএম রেডিওর মাধ্যমে এসব অনুবাদ শুনতে পারবেন হাজিরা।

এছাড়া ৫০টির বেশি ভাষায় দিকনির্দেশনা ও ধর্মীয় তথ্য দিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ওয়্যারলেস হেডফোন ও ডিজিটাল গাইড কার্ড। পবিত্র মসজিদুল হারামের ভেতরে রয়েছে বহুভাষিক বই, নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড, ইলেকট্রনিক স্ক্রিন এবং বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত পবিত্র কোরআনের কপি।

পবিত্র হজের জন্য বিভিন্ন স্থানে নিয়োজিত বহুভাষিক স্বেচ্ছাসেবক ও ফিল্ড টিম হাজিদের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় নির্দেশনায় সহায়তা করছেন। এর ফলে হজযাত্রীরা আরও সহজ ও নিরাপদভাবে ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করতে পারছেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব উদ্যোগ শুধু ভাষাগত সহায়তাই নয়, বরং ইসলামের বার্তা ও হজসেবাকে আরও সহজভাবে বিশ্বের মুসলমানদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।