ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, পাবেন রামিসার ওয়ারিশরা

এবার রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার মামলায় দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

এছাড়া আসামি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে (ওয়ারিশ) দিতে বলা হয়েছে। জরিমানার টাকা না দিলে কালেক্টরেট অফিসকে তার স্থাবরঅস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার ৫ দিনের মাথায় গত ২৪ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া। ওইদিনই শিশু ট্রাইব্যুনালে মামলাটি বিচারের জন্য নথি বদলি করা হয়। তবে সেদিন থেকে ঈদুল আযহার ছুটি শুরু হওয়ায় গত ১ জুন মামলাটির চার্জগঠনের দিন ধার্য করা হয়।

ঈদের পর ১ জুন মামলার চার্জগঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন মামলাটির ১৭ সাক্ষীর মধ্যে রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজনসহ ১৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয় এরপর ৩ জুন মামলায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও ৪ জুন মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, পাবেন রামিসার ওয়ারিশরা

আপডেট সময় ১২:১৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

এবার রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার মামলায় দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

এছাড়া আসামি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে (ওয়ারিশ) দিতে বলা হয়েছে। জরিমানার টাকা না দিলে কালেক্টরেট অফিসকে তার স্থাবরঅস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার ৫ দিনের মাথায় গত ২৪ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া। ওইদিনই শিশু ট্রাইব্যুনালে মামলাটি বিচারের জন্য নথি বদলি করা হয়। তবে সেদিন থেকে ঈদুল আযহার ছুটি শুরু হওয়ায় গত ১ জুন মামলাটির চার্জগঠনের দিন ধার্য করা হয়।

ঈদের পর ১ জুন মামলার চার্জগঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন মামলাটির ১৭ সাক্ষীর মধ্যে রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজনসহ ১৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয় এরপর ৩ জুন মামলায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও ৪ জুন মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি হয়।