ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশের ২০ হাজার খাল খনন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার সদরের পিএমখালী পাতলি খালের পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত পথসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘পাতলিখাল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রায় ৫০ বছর আগে খনন করেছিলেন। আজ আবার পুনঃখনন উদ্বোধন করা হলো। এতে এই জনপথের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। প্রায় ১২ হেক্টর জমি পানির সুবিধা পাবে। প্রায় ১২০০ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য বেশি উৎপাদন হবে। সাড়ে ৮ হাজার কৃষক সেচ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষকদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী এক বছরের মধ্যে প্রতি উপজেলায় আট থেকে ১০ হাজার কৃষিকার্ড পৌঁছে দেয়া হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবার বাজেটের পর নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও এবার বাড়েনি। প্রস্তাবিত বাজেটে ট্যাক্স কমানো ও মদসিগারেটের দাম বাড়ানোর পরও সেই বাজেটও বিরোধীদলের ভালো লাগে না।তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। একইসঙ্গে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার সুবিধা দেয়া হবে।

এর আগে শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ১০টার দিকে তিনি বিমানবন্দরের ভিআইপি গেট দিয়ে বের হন। এ সময় ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহম্মদ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। বৃষ্টি উপেক্ষা করে অনেককে হাতে ছাতা, আবার অনেককে ভিজেই প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কক্সবাজার শহরের চিত্র ছিল ভিন্ন। বিমানবন্দর সড়ক, হলিডে মোড়, কলাতলী, সুগন্ধা পয়েন্ট, বাস টার্মিনাল, লিংক রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয় চেকপোস্ট। নিরাপত্তাবাহিনী, সরকারি অতিথি এবং দলীয় নেতাকর্মীদের বহনকারী যানবাহন ছাড়া সাধারণ যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাড়ি বহর নিয়ে পৌঁছান কক্সবাজার সদরের পিএমখালী পাতলি খালের মোহনায়। যেখানে খালের পুনঃখনন উদ্বোধর করেন বেলা ১১টার দিকে। এরপর একটি গাছের চারাও রোপণ করেন তিনি। এরপরই মঞ্চে শুরু হয় পথসভা। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য শুরু করেন তিনি। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে শেষ করেন বক্তব্য।

জনপ্রিয় সংবাদ

যারা সার্কভুক্ত দেশগুলোর ঐক্য চায় না, তারা শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বললে সন্দেহজনক: তথ্যমন্ত্রী

আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:০৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশের ২০ হাজার খাল খনন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার সদরের পিএমখালী পাতলি খালের পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত পথসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘পাতলিখাল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রায় ৫০ বছর আগে খনন করেছিলেন। আজ আবার পুনঃখনন উদ্বোধন করা হলো। এতে এই জনপথের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। প্রায় ১২ হেক্টর জমি পানির সুবিধা পাবে। প্রায় ১২০০ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য বেশি উৎপাদন হবে। সাড়ে ৮ হাজার কৃষক সেচ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষকদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী এক বছরের মধ্যে প্রতি উপজেলায় আট থেকে ১০ হাজার কৃষিকার্ড পৌঁছে দেয়া হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবার বাজেটের পর নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও এবার বাড়েনি। প্রস্তাবিত বাজেটে ট্যাক্স কমানো ও মদসিগারেটের দাম বাড়ানোর পরও সেই বাজেটও বিরোধীদলের ভালো লাগে না।তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। একইসঙ্গে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার সুবিধা দেয়া হবে।

এর আগে শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ১০টার দিকে তিনি বিমানবন্দরের ভিআইপি গেট দিয়ে বের হন। এ সময় ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহম্মদ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। বৃষ্টি উপেক্ষা করে অনেককে হাতে ছাতা, আবার অনেককে ভিজেই প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কক্সবাজার শহরের চিত্র ছিল ভিন্ন। বিমানবন্দর সড়ক, হলিডে মোড়, কলাতলী, সুগন্ধা পয়েন্ট, বাস টার্মিনাল, লিংক রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয় চেকপোস্ট। নিরাপত্তাবাহিনী, সরকারি অতিথি এবং দলীয় নেতাকর্মীদের বহনকারী যানবাহন ছাড়া সাধারণ যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাড়ি বহর নিয়ে পৌঁছান কক্সবাজার সদরের পিএমখালী পাতলি খালের মোহনায়। যেখানে খালের পুনঃখনন উদ্বোধর করেন বেলা ১১টার দিকে। এরপর একটি গাছের চারাও রোপণ করেন তিনি। এরপরই মঞ্চে শুরু হয় পথসভা। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য শুরু করেন তিনি। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে শেষ করেন বক্তব্য।