ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১১০ কোটি টাকা বৈধ করতে দুদকের জালে সাভারের সাবেক চেয়ারম্যান রাজীব

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:০১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৩২ বার পড়া হয়েছে

 

প্রায় ১১০ কোটি টাকা বৈধ করতে গিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জালে ফেঁসেছেন সাভার উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব। এমন অভিযোগে মানিলন্ডারিং আইনে মামলার পাশাপাশি প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদেরও মামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

 

বুধবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক ওয়াহিদ মঞ্জুর সোহাগ বাদী হয়ে মামলা দু’টি দায়ের করেন। সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

প্রথম মামলায় সাভার উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ৭৯৪ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে তার নামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদসহ ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৫ টাকার হিসাব পাওয়া যায়, যার মধ্যে বৈধ আয় পাওয়া যায় মাত্র ২ কোটি ২৮ লাখ ১৩ হাজার ৬৩১ টাকার। বাকি সম্পদ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ মিলেছে।

 

 

অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলায় সাভার উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব ও তার সহযোগী মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঞ্জুরুল আলম রাজীব নামমাত্র রাজ রিয়েল এস্টেট, রাজ কনস্ট্রাকশন ও রাজ লেদার লিমিটেডের ব্যাংক হিসাবে মোট ১০৯ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ১০৯ টাকা টাকা লেনদেন করে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন আসামিরা। তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধে মামলা রুজু করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কার ক্ষেপণাস্ত্র আগে ফুরোয়, তাতেই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের জয়-পরাজয়

১১০ কোটি টাকা বৈধ করতে দুদকের জালে সাভারের সাবেক চেয়ারম্যান রাজীব

আপডেট সময় ১০:০১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

 

প্রায় ১১০ কোটি টাকা বৈধ করতে গিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জালে ফেঁসেছেন সাভার উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব। এমন অভিযোগে মানিলন্ডারিং আইনে মামলার পাশাপাশি প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদেরও মামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

 

বুধবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক ওয়াহিদ মঞ্জুর সোহাগ বাদী হয়ে মামলা দু’টি দায়ের করেন। সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

প্রথম মামলায় সাভার উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ৭৯৪ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে তার নামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদসহ ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৫ টাকার হিসাব পাওয়া যায়, যার মধ্যে বৈধ আয় পাওয়া যায় মাত্র ২ কোটি ২৮ লাখ ১৩ হাজার ৬৩১ টাকার। বাকি সম্পদ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ মিলেছে।

 

 

অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলায় সাভার উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব ও তার সহযোগী মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঞ্জুরুল আলম রাজীব নামমাত্র রাজ রিয়েল এস্টেট, রাজ কনস্ট্রাকশন ও রাজ লেদার লিমিটেডের ব্যাংক হিসাবে মোট ১০৯ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ১০৯ টাকা টাকা লেনদেন করে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন আসামিরা। তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধে মামলা রুজু করা হয়েছে।