ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জানাজা শেষে পাশাপাশি ৫ কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত তিন বোন, মা ও মামা

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় চাঞ্চল্যকর খুনের শিকার হওয়া এক নারী, তার তিন সন্তান ও ভাইয়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহতদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে। শনিবার গাজীপুর থেকে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে ভোররাতে গোপালগঞ্জে নিজ গ্রামে এসে পৌঁছায়। পরে আজ রবিবার বেলা ১১ টার দিকে তাদের জানাজা সম্পন্ন করে নিজ এলাকায় দাফন করা হয়েছে। 

নিহতরা হলেনশারমিন আক্তার (৩৫), তার তিন সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২) ও ফারিয়া () এবং শারমিনের ভাই রসুল হোসেন। উল্লেখ, শারমিন আক্তার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামের শাহাদাত মোল্লা চৌকিদারের মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরে বসবাস করতেন। ঘটনার পর থেকেই নিহত শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, তিনিই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে গেছেন। স্বজনদের দাবি, শুক্রবার বিকেলে ফোরকান তার শ্যালক রসুল হোসেনকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে নেন। পরে রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

শনিবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে নিহতদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে শোকের মাতম নেমে আসে। স্বজন ও এলাকাবাসী এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামে ৩৫২ শিশুর মৃত্যু: প্রত্যেক পরিবারকে দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে রিট

জানাজা শেষে পাশাপাশি ৫ কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত তিন বোন, মা ও মামা

আপডেট সময় ০১:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় চাঞ্চল্যকর খুনের শিকার হওয়া এক নারী, তার তিন সন্তান ও ভাইয়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহতদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে। শনিবার গাজীপুর থেকে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে ভোররাতে গোপালগঞ্জে নিজ গ্রামে এসে পৌঁছায়। পরে আজ রবিবার বেলা ১১ টার দিকে তাদের জানাজা সম্পন্ন করে নিজ এলাকায় দাফন করা হয়েছে। 

নিহতরা হলেনশারমিন আক্তার (৩৫), তার তিন সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২) ও ফারিয়া () এবং শারমিনের ভাই রসুল হোসেন। উল্লেখ, শারমিন আক্তার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামের শাহাদাত মোল্লা চৌকিদারের মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরে বসবাস করতেন। ঘটনার পর থেকেই নিহত শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, তিনিই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে গেছেন। স্বজনদের দাবি, শুক্রবার বিকেলে ফোরকান তার শ্যালক রসুল হোসেনকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে নেন। পরে রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

শনিবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে নিহতদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে শোকের মাতম নেমে আসে। স্বজন ও এলাকাবাসী এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।