ভারতের মুম্বাই শহরের মিউনিসিপাল নির্বাচনের জন্য বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট তাদের নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করেছে। ইশতেহারে ‘প্রযুক্তিনির্ভর শাসনব্যবস্থা’ থেকে শুরু করে ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানীকে ‘একটি বৈশ্বিক পাওয়ার হাউজে’ পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে মুম্বাইকে কথিত ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ও ‘রোহিঙ্গা অভিবাসী’ ‘মুক্ত’ করার প্রতিশ্রুতিও দেয়া হয়েছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস এই ইশতেহার প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা মুম্বাইকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের থেকে মুক্ত করব। আইআইটির (ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি) সহায়তায় আমরা বাংলাদেশি অভিবাসীদের শনাক্ত করার জন্য একটি এআই টুল তৈরি করব।’
যদিও এই ধরনের কথিত ‘অনুপ্রবেশের’ কারণে অর্থনীতি ও সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কিত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।
ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ইস্যুতে একটি নির্বাচনি অস্ত্রে পরিণত করা হয়েছে। হোক বিহার, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন বা কোনো স্থানীয় পৌরসভা নির্বাচন, সবক্ষেত্রেই এই ইস্যুকে সামনে আনছে ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং তাদের জোটভুক্ত দল ও রাজনীতিবিদরা।
এমনকি দেশটিতে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে এখন পর্যন্ত একাধিক ভারতীয় পরিযায়ী শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কেরালা, ওড়িশা এবং বিহারে এমন বেশকিছু ঘটনা সামনে এসেছে। রাজনীতিবিদদের বেপরোয়া বক্তব্যের কারণে ভারতীয় পরিযায়ী শ্রমিক বা নিম্নবিত্তদের, বিশেষ করে দেশটির মুসলিম ও বাংলাভাষী নাগরিকদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে মনে কর
ছেন বিশ্লেষকরা।




















