ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখন শহীদ, যুক্তরাষ্ট্র বড় ভুল করেছে: বিশ্লেষক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:১৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ৬৭০ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে বড় ভুল করেছে বলে মনে করেন ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক আটলান্টিক কাউন্সিলের উপদেষ্টা এবং কিলওয়েন গ্রুপের কৌশলগত উপদেষ্টা চেয়ারম্যান হারলান উলম্যান। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উলম্যান বলেন, খামেনি এখন অনেকের চোখে শহীদ। ফলে তাকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি সহজ হবে, এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। বরং এতে ইরানের ভেতরে প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হতে পারে।

তিনি আলি লারিজানির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যদি লারিজানি জীবিত থাকেন, তাহলে তিনি অত্যন্ত দক্ষ এবং কঠোর অবস্থান নেওয়ার সক্ষম একজন ব্যক্তি। তিনি সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। উলম্যানের ভাষায়, তিনি হতে পারেন ভয়ংকর শত্রু। উলম্যান মনে করেন, খামেনিকে সরিয়ে দেওয়ার পর ওয়াশিংটনের উচিত হবে না দ্রুত কোনো আলোচনার আশা করা। তিনি উদাহরণ দেন, গত জানুয়ারির শুরুতে মার্কিন বাহিনীর হাতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, ইরানের ক্ষেত্রেও তেমন অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।

তার কথায়, আমি মনে করি না এখন সহজে কোনো সমঝোতা সম্ভব। লারিজানিকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখছেন অনেকেই। এ প্রসঙ্গে উলম্যান বলেন, আমার ধারণা আমরা হয়তো লারিজানিকে আরও শক্তিশালী করে দিয়েছি। যা ভবিষ্যতে আমাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। শীর্ষ নেতৃত্ব নির্মূল করার কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এই ধরনের কৌশল তখনই কার্যকর হয় যখন প্রতিপক্ষের সব শীর্ষ নেতাকে একসঙ্গে কবজা করা যায়। কিন্তু আমার মনে হয় না আমরা সব নেতাকে ধরতে পেরেছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখন শহীদ, যুক্তরাষ্ট্র বড় ভুল করেছে: বিশ্লেষক

আপডেট সময় ১২:১৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে বড় ভুল করেছে বলে মনে করেন ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক আটলান্টিক কাউন্সিলের উপদেষ্টা এবং কিলওয়েন গ্রুপের কৌশলগত উপদেষ্টা চেয়ারম্যান হারলান উলম্যান। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উলম্যান বলেন, খামেনি এখন অনেকের চোখে শহীদ। ফলে তাকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি সহজ হবে, এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। বরং এতে ইরানের ভেতরে প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হতে পারে।

তিনি আলি লারিজানির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যদি লারিজানি জীবিত থাকেন, তাহলে তিনি অত্যন্ত দক্ষ এবং কঠোর অবস্থান নেওয়ার সক্ষম একজন ব্যক্তি। তিনি সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। উলম্যানের ভাষায়, তিনি হতে পারেন ভয়ংকর শত্রু। উলম্যান মনে করেন, খামেনিকে সরিয়ে দেওয়ার পর ওয়াশিংটনের উচিত হবে না দ্রুত কোনো আলোচনার আশা করা। তিনি উদাহরণ দেন, গত জানুয়ারির শুরুতে মার্কিন বাহিনীর হাতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, ইরানের ক্ষেত্রেও তেমন অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।

তার কথায়, আমি মনে করি না এখন সহজে কোনো সমঝোতা সম্ভব। লারিজানিকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখছেন অনেকেই। এ প্রসঙ্গে উলম্যান বলেন, আমার ধারণা আমরা হয়তো লারিজানিকে আরও শক্তিশালী করে দিয়েছি। যা ভবিষ্যতে আমাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। শীর্ষ নেতৃত্ব নির্মূল করার কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এই ধরনের কৌশল তখনই কার্যকর হয় যখন প্রতিপক্ষের সব শীর্ষ নেতাকে একসঙ্গে কবজা করা যায়। কিন্তু আমার মনে হয় না আমরা সব নেতাকে ধরতে পেরেছি।