ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অভিযোগ করেছেন, দেশটির অভ্যন্তরে সাম্প্রতিক সহিংস হামলার পেছনে বিদেশি মদদপুষ্ট উগ্রবাদীরা জড়িত। তার দাবি, বিদেশ থেকে আসা একদল ব্যক্তি অগ্নিসংযোগ, হত্যাকাণ্ড এবং নৃশংস কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই অস্থিরতা তৈরি করেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট জানান, অপরাধীরা মসজিদে আগুন দিয়েছে, সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে শিরশ্ছেদ করার মতো ঘটনাও ঘটিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এসব ব্যক্তি এ দেশের নাগরিক নয় এবং তাদের কর্মকাণ্ডকে সাধারণ মানুষের যৌক্তিক দাবির সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত হবে না।
“যারা সত্যিকার অর্থে এ দেশের অংশ, তারা তাদের প্রতিবাদ জানাতে পারেন—আমরা তাদের কথা শুনব, তাদের দাবি বিবেচনা করব এবং সমস্যার সমাধান করব। কিন্তু নিরীহ মানুষকে সরাসরি হত্যা করা, অগ্নিসংযোগ এবং জোরপূর্বক রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়”, বলেন তিনি।
পেজেশকিয়ান এই সহিংসতার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি দাবি করেন, এই দেশগুলো উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোকে সহিংসতা আরও বাড়ানোর জন্য প্ররোচনা দিচ্ছে। তার মতে, যারা অতীতেও ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং শিশু ও তরুণদের হত্যা করেছে, তারাই এখন অন্যদের একই কাজ করতে উস্কানি দিচ্ছে।
তিনি আরও যোগ করেন, “তারা (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) বলছে—’আমরা আছি, তোমরা গিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালাও, আমরা তোমাদের পেছনে থাকব’।”
ইরানে চলমান অস্থিরতা এবং উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এই মন্তব্য এলো। বর্তমানে ইরান কর্তৃপক্ষ সাধারণ নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ এবং উগ্রবাদীদের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে পার্থক্য করার চেষ্টা করছে। তবে পেজেশকিয়ানের এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্রঃ আজারনিউজ



















