ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরান ও ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে ‘হাই অ্যালার্ট’

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৪০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫২৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সামরিক বাহিনী বর্তমানে ‘প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ আছে এবং যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের ‘কঠোর জবাব’ দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

 

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয়ার পরই এ কথা জানাল আইআরজিসি।

 

আইআরজিসি’র বিমান বাহিনীর কমান্ডার সরদার মৌসাভিকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স জানায়, ‘ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ (ইরানের) এখন আরও বেড়েছে।

এই সময়ের মধ্যে হওয়া সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মেরামত করা হয়েছে এবং এর ফলে ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রেখেছে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার (ইরানে) দিকে নজর রাখার কথা জানিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলি কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের সম্ভাব্য পাল্টা প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনী তাদের প্রস্তুতির মাত্রা বাড়িয়েছে।

 

তেল আবিবের মূল্যায়নে বলা হচ্ছে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এখন ‘সম্ভাবনার চেয়ে সময়ের বিষয় হিসেবে’ বেশি বিবেচিত হচ্ছে। তবে হামলার পরিসর, ধরন বা সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে এখনো কোনো বিস্তারিত তথ্য মেলেনি।

 

ইসরাইলি কর্মকর্তাদের ধারণা, যেকোনো হামলার আগে ওয়াশিংটন ইসরাইলকে আগাম জানাবে যাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া যায়, বিশেষ করে ইরান যদি ইসরাইলে হামলা চালায়।

সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ইসরাইল এরইমধ্যে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে, বিশেষ করে বিমান বাহিনীতে। সম্ভাব্য মার্কিন হামলার পর ইরানের পক্ষ থেকে যেকোনো সময় প্রতিক্রিয়া আসতে পারে– এমন আশঙ্কা থেকেই এই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

 

এদিকে, উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এছাড়া, অঞ্চলটিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিমান ঘাঁটি থেকে কিছু কর্মীকে সরে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

তবে গত বছর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে যেমন বড় পরিসরে সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তেমন কোনো তাৎক্ষণিক লক্ষণ এবার দেখা যায়নি।

 

সূত্র: সৌদি গেজেট, আনাদোলু এজেন্সি

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে চাঁদ খোসাল মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

ইরান ও ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে ‘হাই অ্যালার্ট’

আপডেট সময় ১০:৪০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানের সামরিক বাহিনী বর্তমানে ‘প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ আছে এবং যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের ‘কঠোর জবাব’ দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

 

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয়ার পরই এ কথা জানাল আইআরজিসি।

 

আইআরজিসি’র বিমান বাহিনীর কমান্ডার সরদার মৌসাভিকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স জানায়, ‘ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ (ইরানের) এখন আরও বেড়েছে।

এই সময়ের মধ্যে হওয়া সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মেরামত করা হয়েছে এবং এর ফলে ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রেখেছে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার (ইরানে) দিকে নজর রাখার কথা জানিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলি কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের সম্ভাব্য পাল্টা প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনী তাদের প্রস্তুতির মাত্রা বাড়িয়েছে।

 

তেল আবিবের মূল্যায়নে বলা হচ্ছে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এখন ‘সম্ভাবনার চেয়ে সময়ের বিষয় হিসেবে’ বেশি বিবেচিত হচ্ছে। তবে হামলার পরিসর, ধরন বা সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে এখনো কোনো বিস্তারিত তথ্য মেলেনি।

 

ইসরাইলি কর্মকর্তাদের ধারণা, যেকোনো হামলার আগে ওয়াশিংটন ইসরাইলকে আগাম জানাবে যাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া যায়, বিশেষ করে ইরান যদি ইসরাইলে হামলা চালায়।

সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ইসরাইল এরইমধ্যে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে, বিশেষ করে বিমান বাহিনীতে। সম্ভাব্য মার্কিন হামলার পর ইরানের পক্ষ থেকে যেকোনো সময় প্রতিক্রিয়া আসতে পারে– এমন আশঙ্কা থেকেই এই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

 

এদিকে, উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এছাড়া, অঞ্চলটিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিমান ঘাঁটি থেকে কিছু কর্মীকে সরে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

তবে গত বছর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে যেমন বড় পরিসরে সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তেমন কোনো তাৎক্ষণিক লক্ষণ এবার দেখা যায়নি।

 

সূত্র: সৌদি গেজেট, আনাদোলু এজেন্সি