কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে কিছু মার্কিন সামরিক সদস্যকে সরে যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কূটনীতিকরা যদিও বলছেন, এটি কোনও আনুষ্ঠানিক সরিয়ে নেওয়ার আদেশ নয়, বরং সামরিক অবস্থানগত পরিবর্তনের অংশ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবরটি জানিয়েছে।
এক কূটনীতিক রয়টার্সকে বলেন, “এটি একটি অবস্থানের পরিবর্তন মাত্র, বাধ্যতামূলক সরিয়ে নেওয়া নয়।” তিনি জানান, এই পরিবর্তনের পেছনে নির্দিষ্ট কোনও কারণ জানানো হয়নি। এ বিষয়ে দোহায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কোনও মন্তব্য করেনি।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি আল উদেইদে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করে। ইরানে চলমান বিক্ষোভ নিয়ে ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার সতর্কবার্তার মধ্যেই এমন বার্তা জানা গেলো।
এর আগেও গত বছর ইরানে মার্কিন বিমান হামলার এক সপ্তাহের বেশি আগে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটি থেকে কিছু সেনা ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। জুনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর কাতারের এই ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
ইতোমধ্যে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে আঞ্চলিক দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। দোহার বাইরে মরুভূমিতে অবস্থিত প্রায় ২৪ হেক্টর আয়তনের আল উদেইদ ঘাঁটিই যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের অগ্রবর্তী সদর দফতর। মিসর থেকে কাজাখস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয় এই ঘাঁটি থেকে।



















