ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরের রহস্যজনক পোস্ট!

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক আলেম সমাজে তৃতীয় পক্ষের অনুপ্রবেশ ও বিভিন্ন মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের আশঙ্কা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’ শিরোনামে বিষয়টি তুলে ধরেন।
পোস্টে মামুনুল হক দাবি করেন, কয়েক মাস আগে একজন বিশ্বস্ত আলেম তাকে এক ব্যক্তির বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। ওই আলেমকে তিনি কওমি অঙ্গনের একজন নির্ভরযোগ্য ও গবেষকধর্মী আলেম হিসেবে উল্লেখ করেন।
মামুনুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই আলেমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন—এক ব্যক্তি বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ করছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, একই ব্যক্তিকে নিয়ে আরেকজন তাকে জানান যে, বাংলাদেশে এমন কিছু সংরক্ষিত স্থানে ওই ব্যক্তির যাতায়াত রয়েছে, যেখানে সাধারণত রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য কারও প্রবেশাধিকার থাকে না।
মামুনুল হক বলেন, ব্যক্তিটির ব্যক্তিগত অবস্থান খুব বড় না হলেও তিনি মনে করেন—এ ধরনের কয়েকজন মিলে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করতে পারে, যারা আলেমসমাজে বিভিন্ন মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও দাবি করেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আলেম ও এতিমদের নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এসব ব্যক্তির প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য করা গেছে। তার মতে, আগে যারা বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করতেন, তাদের তুলনায় এখন এ ধরনের ‘এজেন্সিচালিত’ ব্যক্তিরা সরকারি মহলে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে প্রভাব বিস্তার অব্যাহত থাকলে আলেম-ওলামাদের অঙ্গনে ‘বেচাকেনা’ ও ষড়যন্ত্রমূলক এজেন্ডা বাস্তবায়নের প্রবণতা বাড়তে পারে।
পোস্টের শেষাংশে মামুনুল হক বলেন, আলেমদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। তবে তৃতীয় পক্ষের চর বা অনুপ্রবেশকারীদের ভূমিকা অজান্তেই আলেম সমাজের ঐক্যের জায়গাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরের রহস্যজনক পোস্ট!

আপডেট সময় ০৯:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক আলেম সমাজে তৃতীয় পক্ষের অনুপ্রবেশ ও বিভিন্ন মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের আশঙ্কা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’ শিরোনামে বিষয়টি তুলে ধরেন।
পোস্টে মামুনুল হক দাবি করেন, কয়েক মাস আগে একজন বিশ্বস্ত আলেম তাকে এক ব্যক্তির বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। ওই আলেমকে তিনি কওমি অঙ্গনের একজন নির্ভরযোগ্য ও গবেষকধর্মী আলেম হিসেবে উল্লেখ করেন।
মামুনুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই আলেমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন—এক ব্যক্তি বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ করছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, একই ব্যক্তিকে নিয়ে আরেকজন তাকে জানান যে, বাংলাদেশে এমন কিছু সংরক্ষিত স্থানে ওই ব্যক্তির যাতায়াত রয়েছে, যেখানে সাধারণত রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য কারও প্রবেশাধিকার থাকে না।
মামুনুল হক বলেন, ব্যক্তিটির ব্যক্তিগত অবস্থান খুব বড় না হলেও তিনি মনে করেন—এ ধরনের কয়েকজন মিলে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করতে পারে, যারা আলেমসমাজে বিভিন্ন মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও দাবি করেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আলেম ও এতিমদের নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এসব ব্যক্তির প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য করা গেছে। তার মতে, আগে যারা বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করতেন, তাদের তুলনায় এখন এ ধরনের ‘এজেন্সিচালিত’ ব্যক্তিরা সরকারি মহলে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে প্রভাব বিস্তার অব্যাহত থাকলে আলেম-ওলামাদের অঙ্গনে ‘বেচাকেনা’ ও ষড়যন্ত্রমূলক এজেন্ডা বাস্তবায়নের প্রবণতা বাড়তে পারে।
পোস্টের শেষাংশে মামুনুল হক বলেন, আলেমদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। তবে তৃতীয় পক্ষের চর বা অনুপ্রবেশকারীদের ভূমিকা অজান্তেই আলেম সমাজের ঐক্যের জায়গাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।