ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির চামড়া রাখা নিয়ে রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
  • ৫৮৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কুরবানির পশুর চামড়া রাখা নিয়ে তর্কের জেরে দুই গোষ্ঠির মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। রাতের আঁধারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে চলা সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাঘারবাড়ি ও শরীয়তউল্লাহ গোষ্ঠির লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহার দিন বিকেলে বাঘারবাড়ি গোষ্ঠির মন মিয়ার দোকানের সামনে পশুর চামড়া রাখেন শরীয়তউল্লাহ গোষ্ঠির কামাল ও জয়নাল। এ সময় চামড়া থেকে রক্ত ছড়িয়ে দোকানের সামনে নোংরা পরিবেশ সৃষ্টি হলে বাঘারবাড়ি গোষ্ঠির আক্তার মিয়া প্রতিবাদ জানান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে বিষয়টি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই গোষ্ঠির লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রাতের আঁধারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।

খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির চামড়া রাখা নিয়ে রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ

আপডেট সময় ০২:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কুরবানির পশুর চামড়া রাখা নিয়ে তর্কের জেরে দুই গোষ্ঠির মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। রাতের আঁধারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে চলা সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাঘারবাড়ি ও শরীয়তউল্লাহ গোষ্ঠির লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহার দিন বিকেলে বাঘারবাড়ি গোষ্ঠির মন মিয়ার দোকানের সামনে পশুর চামড়া রাখেন শরীয়তউল্লাহ গোষ্ঠির কামাল ও জয়নাল। এ সময় চামড়া থেকে রক্ত ছড়িয়ে দোকানের সামনে নোংরা পরিবেশ সৃষ্টি হলে বাঘারবাড়ি গোষ্ঠির আক্তার মিয়া প্রতিবাদ জানান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে বিষয়টি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই গোষ্ঠির লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রাতের আঁধারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।

খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।