এবার উত্তর পূর্বাঞ্চলের হাওর বেসিনের ৩টি জেলার ৫টি নদীর ৬টি স্টেশন প্রাক–মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শনিবার (২ মে) সকাল ৯টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া নদীগুলো হচ্ছে—সুনামগঞ্জ জেলার নলজুর নদী ৮ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে ১১ সেমি ওপরে (জগন্নাথপুর); নেত্রকোনা জেলার ভুগাই–কংশ নদী ৫ সেমি হ্রাস পেয়ে ১০৫ সেন্টিমিটার ওপরে (জারিয়াজঞ্জাইল), সোমেশ্বরী নদী ৭ সেমি হ্রাস পেয়ে ৭৪ সেন্টিমিটার উপরে (কলমাকান্দা), মগরা নদী ৫ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে ৮২ সেন্টিমিটার ওপরে (নেত্রকোনা), মগরা নদী ৪ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ সেন্টিমিটার ওপরে (আটপারা); এ ছাড়া হবিগঞ্জ জেলার সুতাং নদী ২ সেমি হ্রাস পেয়ে ৩৬ সেন্টিমিটার ওপরে (সুতাং রেল–ব্রিজ) প্রবাহিত হচ্ছে।
পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে ভারী থেকে অতি–ভারী বৃষ্টিপাত পরীলক্ষিত হয়েছে। সিলেট জেলার সিলেটে ৬৩ মিলিমিটার, লাটুতে ৭৪ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জের দিরাইতে ১২৪ মিলিমিটার, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ৬০ মিলিমিটার, শ্রীমঙ্গলে ১৪৯ মিলিমিটার, ও শেরপুর–সিলেটে ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে নদীসমূহের পানির সমতল ঘণ্টায় শূন্য থেকে ১ সেন্টিমিটার হারে অত্যন্ত ধীরগতিতে বাড়ছে।
ভারতের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী মেঘালয়–আসামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত পরীলক্ষিত হয়েছে। আসামের সিলচরে ৩২ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। চেরাপুঞ্জিতে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি।






















