ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই গণঅভ্যুত্থনে ‘জুলাইযোদ্ধাদের’ স্যালুট জানালেন আসিফ আকবর

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • ৫৯৮ বার পড়া হয়েছে

২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলন থেকে জন্ম নেওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থনের শুরু থেকেই অনলাইন ও অফলাইনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। বরাবরের মতো এ বছরও আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে তিনি সংহতি প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে আসিফ লেখেন, “হ্যালো জুলাই। জানি তোমাদের আশ্রয় দরকার নেই, তবুও আমরা আছি তোমাদের পাশে। স্যালুট।”

‘বাংলা গানের যুবরাজ’ খ্যাত আসিফ আকবর ছাত্র-জনতার এ অভ্যুত্থানে শুরু থেকেই এক ধরনের নীরব প্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার তিনি ছাত্রদের আত্মত্যাগ, সাহসিকতা এবং বৈপ্লবিক চেতনার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

২০২৪ সালের এই জুলাই আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক রাজনৈতিক বাঁক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে, যেখানে ছাত্র-জনতা সরকারের দমননীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে। সেই প্রেক্ষাপটে আসিফের মতো সাংস্কৃতিক অঙ্গনের তারকাদের প্রকাশ্য সমর্থন আন্দোলনের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে বলেই মনে করেন অনেকে।

আসিফের এই সর্বশেষ বার্তাটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রশংসা কুড়ায়। অনেকেই মন্তব্য করেছেন—“আপনি শুধু সংগীতশিল্পী নন, একজন সচেতন নাগরিকের প্রতিচ্ছবি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

বয়কটের একমাত্র উদ্দেশ্যই ছিল বাংলাদেশের জন্য ‘ন্যায্য সম্মান’ আদায় করা: পিসিবি চেয়ারম্যান

জুলাই গণঅভ্যুত্থনে ‘জুলাইযোদ্ধাদের’ স্যালুট জানালেন আসিফ আকবর

আপডেট সময় ০৮:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলন থেকে জন্ম নেওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থনের শুরু থেকেই অনলাইন ও অফলাইনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। বরাবরের মতো এ বছরও আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে তিনি সংহতি প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে আসিফ লেখেন, “হ্যালো জুলাই। জানি তোমাদের আশ্রয় দরকার নেই, তবুও আমরা আছি তোমাদের পাশে। স্যালুট।”

‘বাংলা গানের যুবরাজ’ খ্যাত আসিফ আকবর ছাত্র-জনতার এ অভ্যুত্থানে শুরু থেকেই এক ধরনের নীরব প্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার তিনি ছাত্রদের আত্মত্যাগ, সাহসিকতা এবং বৈপ্লবিক চেতনার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

২০২৪ সালের এই জুলাই আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক রাজনৈতিক বাঁক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে, যেখানে ছাত্র-জনতা সরকারের দমননীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে। সেই প্রেক্ষাপটে আসিফের মতো সাংস্কৃতিক অঙ্গনের তারকাদের প্রকাশ্য সমর্থন আন্দোলনের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে বলেই মনে করেন অনেকে।

আসিফের এই সর্বশেষ বার্তাটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রশংসা কুড়ায়। অনেকেই মন্তব্য করেছেন—“আপনি শুধু সংগীতশিল্পী নন, একজন সচেতন নাগরিকের প্রতিচ্ছবি।”