ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুলি খেতে না চাইলে এনসিপিতে আসুন: হাসনাত আবদুল্লাহ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৭:৪৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৭৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গুলি খেতে না চাইলে এবং অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি থেকে বাঁচতে চাইলে এনসিপিতে চলে আসুন। আমরা আপনাদেরকে সন্মান দেবো। যারা বিগত বছরগুলোতে অন্যায় নির্যাতন জুলুমের স্বীকার হয়েছে; তাদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে। বিএনপি-জামায়াতে যদি নিরাপদ মনে না করেন তাহলে এনসিপিতে আসুন।

 

 

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে এনসিপির তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাঙামাটি শহরের প্রফেসর কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়ামে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, বাংলাদেশে এখন সময় এসেছে আওয়ামী লীগকে না বলার। এনসিপি যে অবস্থান নেয় বিএনপি ও জামায়াত সেখানে আসতে বাধ্য হয়। এনসিপির জন্ম রাজপথে। তাই আগামীতে যা কিছুই আসুক; তা হবে রাজপথে। বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্ব এনসিপি দেবে। আগামী দশবছরের মধ্যে এনসিপি সরকার গঠন করবে। যারা ব্যালটের প্রস্তুতি না নিয়ে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আপনাদেরকে বাংলাদেশের জনগণ সঠিক সময়ে ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। অস্ত্রের রাজনীতি, চাঁদাবাজির রাজনীতিতে মানুষ অতিষ্ঠ। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও বুলেটের বিরুদ্ধে। যারা ব্যালটের চেয়ে বুলেটকে শক্তিশালী করেছে তাদের বিচার হবে।

 

 

দেশ পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন- সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছেন তাদের সঙ্গে আমরা জোট করবো না। এনসিপি জোটে বিশ্বাসী নয়, আমরা নির্বাচনে সিট পুনর্বণ্টনে নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। কোনো প্রকার টাকা, গুন্ডা ও পেশি শক্তি ছাড়া আমরা যদি পাচশ’ ভোটও পাই সেটাই আমাদের জন্য অনেক বড় পাওনা। আমরা খেলতে আসিনি; পুরো খেলার নিয়ম পরিবর্তন করতে আসছি।

 

এনসিপি রাঙামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমার সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় অন্যান্যর মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চল তত্ত্বাধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক কলিন চাকমা, বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল, খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিরোধিতা না করে ভুল স্বীকারের আহবান রাশেদ খাঁনের

গুলি খেতে না চাইলে এনসিপিতে আসুন: হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় ০৭:৪৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গুলি খেতে না চাইলে এবং অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি থেকে বাঁচতে চাইলে এনসিপিতে চলে আসুন। আমরা আপনাদেরকে সন্মান দেবো। যারা বিগত বছরগুলোতে অন্যায় নির্যাতন জুলুমের স্বীকার হয়েছে; তাদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে। বিএনপি-জামায়াতে যদি নিরাপদ মনে না করেন তাহলে এনসিপিতে আসুন।

 

 

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে এনসিপির তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাঙামাটি শহরের প্রফেসর কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়ামে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, বাংলাদেশে এখন সময় এসেছে আওয়ামী লীগকে না বলার। এনসিপি যে অবস্থান নেয় বিএনপি ও জামায়াত সেখানে আসতে বাধ্য হয়। এনসিপির জন্ম রাজপথে। তাই আগামীতে যা কিছুই আসুক; তা হবে রাজপথে। বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্ব এনসিপি দেবে। আগামী দশবছরের মধ্যে এনসিপি সরকার গঠন করবে। যারা ব্যালটের প্রস্তুতি না নিয়ে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আপনাদেরকে বাংলাদেশের জনগণ সঠিক সময়ে ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। অস্ত্রের রাজনীতি, চাঁদাবাজির রাজনীতিতে মানুষ অতিষ্ঠ। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও বুলেটের বিরুদ্ধে। যারা ব্যালটের চেয়ে বুলেটকে শক্তিশালী করেছে তাদের বিচার হবে।

 

 

দেশ পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন- সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছেন তাদের সঙ্গে আমরা জোট করবো না। এনসিপি জোটে বিশ্বাসী নয়, আমরা নির্বাচনে সিট পুনর্বণ্টনে নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। কোনো প্রকার টাকা, গুন্ডা ও পেশি শক্তি ছাড়া আমরা যদি পাচশ’ ভোটও পাই সেটাই আমাদের জন্য অনেক বড় পাওনা। আমরা খেলতে আসিনি; পুরো খেলার নিয়ম পরিবর্তন করতে আসছি।

 

এনসিপি রাঙামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমার সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় অন্যান্যর মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চল তত্ত্বাধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক কলিন চাকমা, বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল, খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা প্রমুখ।