ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রম আইন সংশোধনকে স্বাগত জানিয়েছে ইইউ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৫৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬১৬ বার পড়া হয়েছে

 

অন্তর্বর্তী সরকারের বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনকে স্বাগত জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সরকার দ্রুত এই সংশোধনী বাস্তবায়ন করবে বলে আশা করে ইইউ।

 

 

এক বিবৃতিতে ইইউ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সরকার দ্রুত এই সংশোধনী বাস্তবায়ন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।

 

ইইউ আরও মনে করে, অন্তর্বর্তী সরকারের এমন উদ্যোগ শক্তিশালী শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ইইউ বাজারে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ এই শ্রম আইন সংশোধন।

 

 

সংস্থাটি জানায়, ২০২৬ সালের গোড়ার দিকে বাংলাদেশ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই ইইউ বাস্তবায়ন এবং নীতিগত ধারাবাহিকতার গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছে। ইইউ বিশ্বাস করে, যে দলই জাতীয় সংসদের দায়িত্ব নেবে তারাই দ্রুত একে আইন করবে এমনটাই বিশ্বাস করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

 

ইইউ আইএলও কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭ এবং ১৯০-এর বাংলাদেশের অনুমোদনকেও স্বাগত জানায়। এর মধ্যে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি দূরীকরণের বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। এই সবকিছুই ইইউ-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক গতি তৈরি করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলের সঙ্গে গোপন আঁতাত ক্ষমার অযোগ্য, আমিরাতকে হুমকি ইরানের

অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রম আইন সংশোধনকে স্বাগত জানিয়েছে ইইউ

আপডেট সময় ১০:৫৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

 

অন্তর্বর্তী সরকারের বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনকে স্বাগত জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সরকার দ্রুত এই সংশোধনী বাস্তবায়ন করবে বলে আশা করে ইইউ।

 

 

এক বিবৃতিতে ইইউ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সরকার দ্রুত এই সংশোধনী বাস্তবায়ন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।

 

ইইউ আরও মনে করে, অন্তর্বর্তী সরকারের এমন উদ্যোগ শক্তিশালী শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ইইউ বাজারে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ এই শ্রম আইন সংশোধন।

 

 

সংস্থাটি জানায়, ২০২৬ সালের গোড়ার দিকে বাংলাদেশ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই ইইউ বাস্তবায়ন এবং নীতিগত ধারাবাহিকতার গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছে। ইইউ বিশ্বাস করে, যে দলই জাতীয় সংসদের দায়িত্ব নেবে তারাই দ্রুত একে আইন করবে এমনটাই বিশ্বাস করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

 

ইইউ আইএলও কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭ এবং ১৯০-এর বাংলাদেশের অনুমোদনকেও স্বাগত জানায়। এর মধ্যে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি দূরীকরণের বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। এই সবকিছুই ইইউ-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক গতি তৈরি করছে।