ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইমরান খান শিগগিরই রাজনৈতিক প্রভাব হারাবেন: রানা সানাউল্লাহর মন্তব্য

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:৪১:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৬৭ বার পড়া হয়েছে

 

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের রাজনৈতিক ও জনসংযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ বলেছেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান খুব শিগগিরই তার রাজনৈতিক প্রভাব হারাতে চলেছেন।

গুজরানওয়ালায় এক জনসভায় তিনি ইমরান খানের শাসনকাল, প্রতিষ্ঠানের (এস্টাবলিশমেন্ট) সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং পিটিআইয়ের অভ্যন্তরীণ সংকট নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তার দাবি, ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সিদ্ধান্তগুলো দেশকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দিয়েছিল, যার কিছু দায় তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল কামার বাজবার ওপরও বর্তায়।

তিনি বলেন, নওয়াজ শরিফ কখনোই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেননি, যা পিটিআইয়ের আচরণের সম্পূর্ণ বিপরীত। ইমরান খান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতে গিয়ে এস্টাবলিশমেন্টের সঙ্গে সংঘাতের সূত্রপাত ঘটান এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থে প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকমেইলেরও চেষ্টা করেন।

দলীয় ভাঙন ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব

রানা সানাউল্লাহর দাবি, পিটিআইয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ নেতা-কর্মী আর ইমরান খানের রাজনৈতিক পথরেখার সঙ্গে একাত্ম নন। তিনি বলেন, পিটিআইয়ের রাজনীতি ধীরে ধীরে এমকিউএম প্রতিষ্ঠাতার বিতর্কিত কৌশলের মতো হয়ে উঠছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে। অতীতে উসকানিমূলক ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ স্লোগানের মতো বর্ণনাও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার উগ্র রাজনীতির অংশ, যা সাধারণ মানুষ গ্রহণ করবে না।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

ইমরান খান শিগগিরই রাজনৈতিক প্রভাব হারাবেন: রানা সানাউল্লাহর মন্তব্য

আপডেট সময় ০৯:৪১:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

 

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের রাজনৈতিক ও জনসংযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ বলেছেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান খুব শিগগিরই তার রাজনৈতিক প্রভাব হারাতে চলেছেন।

গুজরানওয়ালায় এক জনসভায় তিনি ইমরান খানের শাসনকাল, প্রতিষ্ঠানের (এস্টাবলিশমেন্ট) সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং পিটিআইয়ের অভ্যন্তরীণ সংকট নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তার দাবি, ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সিদ্ধান্তগুলো দেশকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দিয়েছিল, যার কিছু দায় তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল কামার বাজবার ওপরও বর্তায়।

তিনি বলেন, নওয়াজ শরিফ কখনোই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেননি, যা পিটিআইয়ের আচরণের সম্পূর্ণ বিপরীত। ইমরান খান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতে গিয়ে এস্টাবলিশমেন্টের সঙ্গে সংঘাতের সূত্রপাত ঘটান এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থে প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকমেইলেরও চেষ্টা করেন।

দলীয় ভাঙন ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব

রানা সানাউল্লাহর দাবি, পিটিআইয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ নেতা-কর্মী আর ইমরান খানের রাজনৈতিক পথরেখার সঙ্গে একাত্ম নন। তিনি বলেন, পিটিআইয়ের রাজনীতি ধীরে ধীরে এমকিউএম প্রতিষ্ঠাতার বিতর্কিত কৌশলের মতো হয়ে উঠছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে। অতীতে উসকানিমূলক ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ স্লোগানের মতো বর্ণনাও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার উগ্র রাজনীতির অংশ, যা সাধারণ মানুষ গ্রহণ করবে না।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি