ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঁদা নিতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার বিএনপিকর্মী

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৪ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে সড়ক নির্মাণ কাজ করছেন এক যুবদল কর্মী। ওই যুবদল কর্মীর কাছে চাঁদা নিতে গিয়েছিলেন বিএনপি কর্মী। এ নিয়ে খেয়েছেন গণপিটুনি। এরপর এ নিয়ে থানাতেও মারধরের ঘটনা ঘটে।

 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকালে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা কলেজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পিটুনির শিকার বিএনপি কর্মীর নাম আতাবুর রহমান। নওহাটা পৌরসভার বাঘাটা মহল্লায়। তিনি নওহাটা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র শেখ মকবুল হোসেনের অনুসারী।

আতাবুর রহমান বিকালে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। কথা বলতে তার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বন্ধ পাওয়া গেছে।

 

জানা গেছে, নওহাটা কলেজ মোড় এলাকায় একটি রাস্তার কাজ চলছে। মূল ঠিকাদারের কাছ থেকে সেখানে মাটি কাটার কাজ পেয়েছেন স্থানীয় যুবদল কর্মী আজাদ আলী।

আজাদের অভিযোগ, কাজ শুরুর পরই আতাবুর রহমান তার কাছে চাঁদা চাইতে গিয়েছিলেন।

 

তিনি বলেন, আজই কাজ শুরু করেছি। তারপরই আতাবুর এসে বলে, কাজ করলে তাকে টাকা দিতে হবে। তা না হলে ভেকু গাড়ি ভেঙে দেবে। আমি বলি, আমিও বিএনপি, তুই-ও বিএনপি। কিসের টাকা? এই কথার পর তর্কবিতর্ক হচ্ছিল। সে চাঁদা চাইতে এসেছে দেখে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজনই তাকে মেরেছে।’

 

আজাদ জানান, ঘটনার পর তিনি ও তার ব্যবসায়ীক অংশীদার বিপ্লব হোসেন পবা থানায় যান। এটি দেখে আতাবুর তার লোকজন নিয়ে এসে থানার সামনেই তাদের মারধর করেন। সন্ধ্যায় তারা থানাতেই ছিলেন। পুলিশ উভয়পক্ষকে মীমাংসা করে নিতে বলছে বলে তিনি জানান।

 

তিনি অভিযোগ করেন, আতাবুর মাদকের ব্যবসা করেন। ৫ আগস্টের পর তিনি এলাকায় ব্যাপক চাঁদাবাজি করেছেন। তাকে বিএনপির কেউ কেউ প্রশ্রয় দেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

জানতে চাইলে নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, আজাদ যুবদলকর্মী, আতাবুরও বিএনপিকর্মী। তার কাছে চাঁদা চাইতে যাওয়ার তো মানে হয় না। ৫ আগস্টের পর সে মানুষকে যে অত্যাচার করেছে! যাকে-তাকে বলে, তুই আওয়ামী লীগ। যাহোক, এসব কথা বলতে চাই না। যারা আতাবুরকে শেল্টার দেয়, তারা ভাগ খেয়ে বসে থাকে।

 

পবা থানার ওসি আব্দুল মতিন বলেন, মারামারির ঘটনা ঘটেছে। কী নিয়ে ঘটনা তা অভিযোগ না পাওয়া পর্যন্ত বলতে পারছি না। অভিযোগ হলে তদন্ত করে দেখা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দেওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচারী হতো না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

চাঁদা নিতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার বিএনপিকর্মী

আপডেট সময় ১০:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীতে সড়ক নির্মাণ কাজ করছেন এক যুবদল কর্মী। ওই যুবদল কর্মীর কাছে চাঁদা নিতে গিয়েছিলেন বিএনপি কর্মী। এ নিয়ে খেয়েছেন গণপিটুনি। এরপর এ নিয়ে থানাতেও মারধরের ঘটনা ঘটে।

 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকালে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা কলেজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পিটুনির শিকার বিএনপি কর্মীর নাম আতাবুর রহমান। নওহাটা পৌরসভার বাঘাটা মহল্লায়। তিনি নওহাটা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র শেখ মকবুল হোসেনের অনুসারী।

আতাবুর রহমান বিকালে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। কথা বলতে তার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বন্ধ পাওয়া গেছে।

 

জানা গেছে, নওহাটা কলেজ মোড় এলাকায় একটি রাস্তার কাজ চলছে। মূল ঠিকাদারের কাছ থেকে সেখানে মাটি কাটার কাজ পেয়েছেন স্থানীয় যুবদল কর্মী আজাদ আলী।

আজাদের অভিযোগ, কাজ শুরুর পরই আতাবুর রহমান তার কাছে চাঁদা চাইতে গিয়েছিলেন।

 

তিনি বলেন, আজই কাজ শুরু করেছি। তারপরই আতাবুর এসে বলে, কাজ করলে তাকে টাকা দিতে হবে। তা না হলে ভেকু গাড়ি ভেঙে দেবে। আমি বলি, আমিও বিএনপি, তুই-ও বিএনপি। কিসের টাকা? এই কথার পর তর্কবিতর্ক হচ্ছিল। সে চাঁদা চাইতে এসেছে দেখে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজনই তাকে মেরেছে।’

 

আজাদ জানান, ঘটনার পর তিনি ও তার ব্যবসায়ীক অংশীদার বিপ্লব হোসেন পবা থানায় যান। এটি দেখে আতাবুর তার লোকজন নিয়ে এসে থানার সামনেই তাদের মারধর করেন। সন্ধ্যায় তারা থানাতেই ছিলেন। পুলিশ উভয়পক্ষকে মীমাংসা করে নিতে বলছে বলে তিনি জানান।

 

তিনি অভিযোগ করেন, আতাবুর মাদকের ব্যবসা করেন। ৫ আগস্টের পর তিনি এলাকায় ব্যাপক চাঁদাবাজি করেছেন। তাকে বিএনপির কেউ কেউ প্রশ্রয় দেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

জানতে চাইলে নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, আজাদ যুবদলকর্মী, আতাবুরও বিএনপিকর্মী। তার কাছে চাঁদা চাইতে যাওয়ার তো মানে হয় না। ৫ আগস্টের পর সে মানুষকে যে অত্যাচার করেছে! যাকে-তাকে বলে, তুই আওয়ামী লীগ। যাহোক, এসব কথা বলতে চাই না। যারা আতাবুরকে শেল্টার দেয়, তারা ভাগ খেয়ে বসে থাকে।

 

পবা থানার ওসি আব্দুল মতিন বলেন, মারামারির ঘটনা ঘটেছে। কী নিয়ে ঘটনা তা অভিযোগ না পাওয়া পর্যন্ত বলতে পারছি না। অভিযোগ হলে তদন্ত করে দেখা হবে।