ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে গেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮৩ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ও দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে সেটি নিয়ে আমি শঙ্কা প্রকাশ করছি। প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে গেছে। প্রশাসনের যে দ্বিচারিতামূলক আচরণ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা হতে পারে সেটি নিয়ে আমরা শঙ্কিত।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, পর্যাপ্ত যুক্তি ও তথ্য থাকার পরেও আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী একজন প্রার্থী ব্যাংক ডিফল্টার। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শোধ করেননি। তিনি এই তথ্যটি গোপন করেছেন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ গোপন করেছেন—এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পড়ে।

 

তিনি বলেন, নির্বাচনী বিধিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, যদি কোনো প্রার্থী চাহিদা মোতাবেক তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করে, তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করার পরও সেখানে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ আচরণ করতে পেরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা প্রত্যাশা করি, কিন্তু মনে হয় প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

এর আগে, বিকেলে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকালে হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার আইনজীবী কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে অন্তত আধাঘণ্টা বাগবিতণ্ডা হয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদেরকে নিয়মানুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ করতে বলেন। যাচাই-বাছাই শেষে দুইজনের মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে গেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় ১১:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ও দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে সেটি নিয়ে আমি শঙ্কা প্রকাশ করছি। প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে গেছে। প্রশাসনের যে দ্বিচারিতামূলক আচরণ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা হতে পারে সেটি নিয়ে আমরা শঙ্কিত।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, পর্যাপ্ত যুক্তি ও তথ্য থাকার পরেও আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী একজন প্রার্থী ব্যাংক ডিফল্টার। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শোধ করেননি। তিনি এই তথ্যটি গোপন করেছেন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ গোপন করেছেন—এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পড়ে।

 

তিনি বলেন, নির্বাচনী বিধিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, যদি কোনো প্রার্থী চাহিদা মোতাবেক তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করে, তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করার পরও সেখানে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ আচরণ করতে পেরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা প্রত্যাশা করি, কিন্তু মনে হয় প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

এর আগে, বিকেলে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকালে হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার আইনজীবী কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে অন্তত আধাঘণ্টা বাগবিতণ্ডা হয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদেরকে নিয়মানুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ করতে বলেন। যাচাই-বাছাই শেষে দুইজনের মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।