জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভীর বয়স নিয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গাজীপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফজলুল মাহদি আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) এ আদেশ দেন।
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার আদেশে বলেন, মামলার এজাহারে আসামির বয়স ২১ বছর উল্লেখ থাকলেও পরবর্তীতে আদালতে দাখিল করা পুলিশ ফরোয়ার্ডিং প্রতিবেদনে বয়স ২০ বছর দেখানো হয়েছে। বয়সের এই অসঙ্গতি আদালতের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, মামলার শুনানিকালে আসামিপক্ষ থেকে আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক—এমন কোনো সুনির্দিষ্ট দাবি বা আইনি আপত্তি উত্থাপন করা হয়নি। তা সত্ত্বেও বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আসামির বয়স ১৮ বছরের নিচে বলে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন আদালতের নজরে এসেছে। এতে করে আসামির প্রকৃত বয়স নিয়ে চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আদালত।
আদেশে আরও বলা হয়, এই পরিস্থিতি তদন্তকারী কর্মকর্তার চরম গাফিলতি ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার প্রতিফলন বলে প্রতীয়মান হয়। মামলার সুষ্ঠু বিচার ও আইনি প্রক্রিয়ার স্বার্থে আসামির সঠিক বয়স নির্ধারণ অত্যন্ত জরুরি।এমতাবস্থায়, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে আসামির মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা অনলাইন ভেরিফায়েড জন্মনিবন্ধন সনদসহ সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে বয়সের এই অসঙ্গতির বিষয়ে সন্তোষজনক কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরআগে, দুপুরে গাজীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক শুনানি শেষে সুরভীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ অমিত কুমার দে ৪ সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেন। তিনি জামিনে মুক্ত হয়েছেন।
সূত্র: news24bd.tv



















