ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে চুক্তি করছে বাংলাদেশ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৯ বার পড়া হয়েছে

এবার সামরিক ড্রোন কারখান স্থাপনে চীনের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার। কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে ৬০৮ কোটি টাকার ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করবে বাংলাদেশ। খবর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে জি-টু-জি (গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট) ভিত্তিতে চুক্তির পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষরের আগে গত ৬ জানুয়ারী এ সংক্রান্ত প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদন করে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ধরনের প্রকল্প মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনের পর প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দেন।

৬০৮ কোটি ৮ লাখ টাকার এই প্রকল্পে ৫৭০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হবে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি আমদানি ও ড্রোন কারখানা স্থাপনে। বাকি ৩৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এলসি খোলার চার্জ, ভ্যাট ও সুইফট চার্জ বাবদ খরচ হবে।

এ নিয়ে জানতে চাইলে মন্তব্য করতে রাজি হননি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। প্রস্তাব অনুযায়ী,চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন ইন্টারন্যাশনালের সরবরাহকৃত প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। সূত্রঃ ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে চুক্তি করছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১১:২১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

এবার সামরিক ড্রোন কারখান স্থাপনে চীনের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার। কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে ৬০৮ কোটি টাকার ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করবে বাংলাদেশ। খবর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে জি-টু-জি (গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট) ভিত্তিতে চুক্তির পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষরের আগে গত ৬ জানুয়ারী এ সংক্রান্ত প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদন করে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ধরনের প্রকল্প মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনের পর প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দেন।

৬০৮ কোটি ৮ লাখ টাকার এই প্রকল্পে ৫৭০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হবে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি আমদানি ও ড্রোন কারখানা স্থাপনে। বাকি ৩৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এলসি খোলার চার্জ, ভ্যাট ও সুইফট চার্জ বাবদ খরচ হবে।

এ নিয়ে জানতে চাইলে মন্তব্য করতে রাজি হননি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। প্রস্তাব অনুযায়ী,চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন ইন্টারন্যাশনালের সরবরাহকৃত প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। সূত্রঃ ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড