ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সাদিক কায়েমের হস্তক্ষেপে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ ভোটে সায় ইসির

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৪৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কার্যক্রমকে যেকোনও ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার জন্য দেশের ধরনের সংগঠনকে নির্বাচন আয়োজন না করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েমের হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সায় দিয়েছে ইসি।

 

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা জানান তিনি।

 

সাদিক কায়েম বলেন, নির্বাচন কমিশন আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, তারা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সঠিক সময়ে যাতে নির্বাচন হয় সেজন্য তারা ভিসিকে বলেছেন এবং প্রার্থীদের বলেছেন, তারা আবেদন করলে সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

 

তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার সচিবের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এর আগে গতকাল যখন সব সংগঠনের নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিতের নির্দেশনা দিয়েছে ইসি, তখন আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ও সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। আজ এখানে এসেছি। শাহাজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন হবে ২০ জানুয়ারি, আর সংসদ নির্বাচন হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। তিন সপ্তাহ আগে নিরাপত্তার অজুহাতে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত হতে পারে। এটি একটি অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত; ছাত্র সমাজ মেনে নেবে না। এই নির্বাচনে প্রায় চার কোটি তরুণ। তাই এমন কোনও কাজ করবেন না, যাতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি তরুণদের আস্থাহীনতা তৈরি হয়।

 

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম আরও বলেন, গণভোটে ‘না’ ভোটের ক্যাম্পেইন যারা করছে তারা ফ্যাসিস্ট। যারা ‘না’ ভোটের ক্যাম্পেইন করছে তারা বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যেতে চায়। যারা ‘না’ ভোটের ক্যাম্পেইন করছে জনগণ তাদের লাল কার্ড দেখাবে। আমরা গণভোটের পক্ষে।

 

 

তিনি বলেন, তারা শাপলা চত্বরের মতো ম্যাসাকার করতে চায়। তারা আলেম ওলামাদের হত্যা করতে চায়। তারা পিল খানার মতো ট্যাজেডি করতে চায়। তারা আয়না ঘর তৈরির মাধ্যমে দেশের মানুষকে গুম-খুন করতে চায়। গণভোটে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ তে সিল মারতে হবে। ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী করতে হবে।

 

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কার্যক্রমকে যে কোনও ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার জন্য দেশের সব পেশাজীবি সংগঠনের নির্বাচন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব প্রকারের নির্বাচন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির নির্বাচন, সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন, বণিক সমিতির নির্বাচন, সমবায় সমিতি নির্বাচন, ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাচনসহ দেশের সব সংগঠনের নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর পর আয়োজন করার জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা দিয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হ্যাঁ ভোটে বিজয় এলে সাংবাদিকদের দিকে কেউ চোখ রাঙাতে পারবে না: মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সাদিক কায়েমের হস্তক্ষেপে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ ভোটে সায় ইসির

আপডেট সময় ১২:৪৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কার্যক্রমকে যেকোনও ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার জন্য দেশের ধরনের সংগঠনকে নির্বাচন আয়োজন না করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েমের হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সায় দিয়েছে ইসি।

 

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা জানান তিনি।

 

সাদিক কায়েম বলেন, নির্বাচন কমিশন আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, তারা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সঠিক সময়ে যাতে নির্বাচন হয় সেজন্য তারা ভিসিকে বলেছেন এবং প্রার্থীদের বলেছেন, তারা আবেদন করলে সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

 

তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার সচিবের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এর আগে গতকাল যখন সব সংগঠনের নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিতের নির্দেশনা দিয়েছে ইসি, তখন আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ও সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। আজ এখানে এসেছি। শাহাজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন হবে ২০ জানুয়ারি, আর সংসদ নির্বাচন হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। তিন সপ্তাহ আগে নিরাপত্তার অজুহাতে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত হতে পারে। এটি একটি অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত; ছাত্র সমাজ মেনে নেবে না। এই নির্বাচনে প্রায় চার কোটি তরুণ। তাই এমন কোনও কাজ করবেন না, যাতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি তরুণদের আস্থাহীনতা তৈরি হয়।

 

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম আরও বলেন, গণভোটে ‘না’ ভোটের ক্যাম্পেইন যারা করছে তারা ফ্যাসিস্ট। যারা ‘না’ ভোটের ক্যাম্পেইন করছে তারা বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যেতে চায়। যারা ‘না’ ভোটের ক্যাম্পেইন করছে জনগণ তাদের লাল কার্ড দেখাবে। আমরা গণভোটের পক্ষে।

 

 

তিনি বলেন, তারা শাপলা চত্বরের মতো ম্যাসাকার করতে চায়। তারা আলেম ওলামাদের হত্যা করতে চায়। তারা পিল খানার মতো ট্যাজেডি করতে চায়। তারা আয়না ঘর তৈরির মাধ্যমে দেশের মানুষকে গুম-খুন করতে চায়। গণভোটে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ তে সিল মারতে হবে। ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী করতে হবে।

 

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কার্যক্রমকে যে কোনও ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার জন্য দেশের সব পেশাজীবি সংগঠনের নির্বাচন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব প্রকারের নির্বাচন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির নির্বাচন, সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন, বণিক সমিতির নির্বাচন, সমবায় সমিতি নির্বাচন, ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাচনসহ দেশের সব সংগঠনের নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর পর আয়োজন করার জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা দিয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।