ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মামুনুল হক ইসির সামনে কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেননি: শোকজ প্রসঙ্গে খেলাফত

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৯ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঢাকা-১৩ আসনের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী ও দলটির আমির মাওলানা মামুনুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

 

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুচ আলী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

 

এ ঘটনায় দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মজলিস জানায়, বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং একই সঙ্গে গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার সামনে তাদের সুস্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরা জরুরি মনে করছে।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সময়ে মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক কোনো সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কিংবা কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেননি। তিনি ওই সময়ে কেবলমাত্র আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে মতামত প্রকাশ ও প্রচারণা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে অবস্থান গ্রহণ কোনো সংসদ সদস্য প্রার্থী বা কোনো প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার আওতাভুক্ত নয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, দুঃখজনকভাবে যাচাইবিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, যেখানে বিষয়টিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই সংবাদকে ভিত্তি করে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে শোকজ নোটিশ জারির বিষয়টি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা বাস্তবতা ও বিদ্যমান আইনি অবস্থানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় বলে সংগঠনটি মনে করে।

 

এ অবস্থায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রকাশিত ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্য সংশোধন ও প্রত্যাহারের দাবি করেছে।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পুনঃপর্যালোচনা করবে বলে সংগঠনটি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। সংবাদভিত্তিক বিভ্রান্তির পরিবর্তে প্রকৃত ঘটনা, আইন ও নির্বাচনী আচরণবিধির আলোকে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে— এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।

 

একই সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বলে, সংবেদনশীল রাজনৈতিক ও নির্বাচন-সম্পর্কিত বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে যথাযথ তথ্য যাচাই, আইনি প্রেক্ষাপট বিবেচনা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মান বজায় রাখা জরুরি।

 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আইনের শাসন ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি অবিচলভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারকে সংগঠনটি রাজনৈতিক ও নৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাঠ থেকে অনেক দূরের আসন, তবুও বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম ১৪০ কোটি টাকা!

মামুনুল হক ইসির সামনে কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেননি: শোকজ প্রসঙ্গে খেলাফত

আপডেট সময় ০৮:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঢাকা-১৩ আসনের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী ও দলটির আমির মাওলানা মামুনুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

 

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুচ আলী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

 

এ ঘটনায় দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মজলিস জানায়, বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং একই সঙ্গে গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার সামনে তাদের সুস্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরা জরুরি মনে করছে।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সময়ে মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক কোনো সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কিংবা কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেননি। তিনি ওই সময়ে কেবলমাত্র আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে মতামত প্রকাশ ও প্রচারণা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে অবস্থান গ্রহণ কোনো সংসদ সদস্য প্রার্থী বা কোনো প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার আওতাভুক্ত নয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, দুঃখজনকভাবে যাচাইবিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, যেখানে বিষয়টিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই সংবাদকে ভিত্তি করে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে শোকজ নোটিশ জারির বিষয়টি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা বাস্তবতা ও বিদ্যমান আইনি অবস্থানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় বলে সংগঠনটি মনে করে।

 

এ অবস্থায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রকাশিত ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্য সংশোধন ও প্রত্যাহারের দাবি করেছে।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পুনঃপর্যালোচনা করবে বলে সংগঠনটি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। সংবাদভিত্তিক বিভ্রান্তির পরিবর্তে প্রকৃত ঘটনা, আইন ও নির্বাচনী আচরণবিধির আলোকে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে— এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।

 

একই সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বলে, সংবেদনশীল রাজনৈতিক ও নির্বাচন-সম্পর্কিত বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে যথাযথ তথ্য যাচাই, আইনি প্রেক্ষাপট বিবেচনা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মান বজায় রাখা জরুরি।

 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আইনের শাসন ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি অবিচলভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারকে সংগঠনটি রাজনৈতিক ও নৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে।