ঢাকা ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার আকাশ থেকে ভোট পর্যবেক্ষণ করবে ১০০০ ড্রোন

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪০:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আকাশ থেকে ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে সারা দেশের ভোটকেন্দ্রে ওড়ানো হবে ১ হাজার ড্রোন। নির্বাচনি সহিংসতা রোধে এবং দুর্গম জনপদে কড়া নজরদারি নিশ্চিত করতে এমন নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প, পার্বত্য অঞ্চল এবং সীমান্তবর্তী টেকনাফ থেকে ফেনী পর্যন্ত এই বিশেষ নজরদারি করা হবে।

এদিকে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, বিমান বাহিনীর কারিগরি সহায়তায় এই ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। তিনি বলেন, এই ড্রোনগুলোস্যাটেলাইটবা উপগ্রহের মতো কাজ করবে, যা সরাসরি প্রধান নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে স্থাপিত কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেলে রিয়েল টাইম তথ্য ও ভিডিও পাঠাবে।

ইসির সূত্রগুলো জানিয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে কেবল প্রযুক্তি নয়, মাঠে সক্রিয় থাকবে ডিজিএফআই, এনএসআই, র‌্যাব ও বিজিবিসহ মোট ২১টি আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা। ড্রোনের মাধ্যমে কোনো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা, অস্ত্র প্রদর্শন বা গোপন তৎপরতা নজরে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে এই বাহিনীগুলো। পুরো প্রক্রিয়া সমন্বিতভাবে পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হবে বিশেষায়িতমনিটরিংঅ্যাপ।

ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুর্গম পাহাড় ও চরাঞ্চলে প্রার্থীর কর্মীসমর্থক ও ভোটারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে। অনুরূপভাবে, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বা নাশকতার চেষ্টা চললে ড্রোনের মাধ্যমে শনাক্ত করে সরাসরি অ্যাকশনে যাবে বাহিনী। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কক্সবাজার ও টেকনাফ অঞ্চলে রোহিঙ্গা ভোটার বা বহিরাগতদের প্রভাব বিস্তার ঠেকাতে বিশেষ স্কোয়াড কাজ করবে। ড্রোন থেকে প্রাপ্ত ভিডিও এবং তথ্য ইসির আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ড. খলিলুরকে সমর্থন আলজেরিয়ার

এবার আকাশ থেকে ভোট পর্যবেক্ষণ করবে ১০০০ ড্রোন

আপডেট সময় ১১:৪০:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আকাশ থেকে ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে সারা দেশের ভোটকেন্দ্রে ওড়ানো হবে ১ হাজার ড্রোন। নির্বাচনি সহিংসতা রোধে এবং দুর্গম জনপদে কড়া নজরদারি নিশ্চিত করতে এমন নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প, পার্বত্য অঞ্চল এবং সীমান্তবর্তী টেকনাফ থেকে ফেনী পর্যন্ত এই বিশেষ নজরদারি করা হবে।

এদিকে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, বিমান বাহিনীর কারিগরি সহায়তায় এই ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। তিনি বলেন, এই ড্রোনগুলোস্যাটেলাইটবা উপগ্রহের মতো কাজ করবে, যা সরাসরি প্রধান নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে স্থাপিত কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেলে রিয়েল টাইম তথ্য ও ভিডিও পাঠাবে।

ইসির সূত্রগুলো জানিয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে কেবল প্রযুক্তি নয়, মাঠে সক্রিয় থাকবে ডিজিএফআই, এনএসআই, র‌্যাব ও বিজিবিসহ মোট ২১টি আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা। ড্রোনের মাধ্যমে কোনো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা, অস্ত্র প্রদর্শন বা গোপন তৎপরতা নজরে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে এই বাহিনীগুলো। পুরো প্রক্রিয়া সমন্বিতভাবে পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হবে বিশেষায়িতমনিটরিংঅ্যাপ।

ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুর্গম পাহাড় ও চরাঞ্চলে প্রার্থীর কর্মীসমর্থক ও ভোটারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে। অনুরূপভাবে, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বা নাশকতার চেষ্টা চললে ড্রোনের মাধ্যমে শনাক্ত করে সরাসরি অ্যাকশনে যাবে বাহিনী। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কক্সবাজার ও টেকনাফ অঞ্চলে রোহিঙ্গা ভোটার বা বহিরাগতদের প্রভাব বিস্তার ঠেকাতে বিশেষ স্কোয়াড কাজ করবে। ড্রোন থেকে প্রাপ্ত ভিডিও এবং তথ্য ইসির আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।