ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার আহ্বান 

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬০৯ বার পড়া হয়েছে

এবার সৌদি আরবের জনগণকে আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রমজান মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট এই আহ্বান জানান। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আল আরাবিয়া নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি অথবা ১৯ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরু হবে।

এক বিবৃতিতে সৌদি সুপ্রিম কোর্ট জানায়, যারা চাঁদের দেখা পাবেনচোখে কিংবা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমেতাদের নিকটস্থ আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান করতে অনুরোধ করা হয়েছে। রমজান মাস হলো ইসলামিক চন্দ্র ক্যালেন্ডারের নবম মাস। রমজানুল মোবারক ইসলামের এক মহিমান্বিত মাস। এটি শুধু সিয়াম সাধনার মাস নয়; বরং এটি আল্লাহর রহমত বর্ষণের, গুনাহ মাফের এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির বিশেষ সময়। এ মাসের ফজিলত ও মর্যাদা কোরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত।

রমজান মাসে মুসলমানরা ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় খাবার ও পানীয় থেকে এবং অন্যান্য শারীরিক চাহিদা থেকে বিরত থাকে। সূর্যাস্তের পর কিছু খাবার গ্রহণের মাধ্যমে রোজা ভাঙা হয়, যাকে ইফতার বলা হয়। এদিকে, রমজান মাস উপলক্ষে সৌদি আরবসহ জিসিসিভুক্ত দেশগুলোতের সরকারি ও অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের কর্মঘণ্টা কমানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

জনগণকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার আহ্বান 

আপডেট সময় ১০:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার সৌদি আরবের জনগণকে আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রমজান মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট এই আহ্বান জানান। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আল আরাবিয়া নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি অথবা ১৯ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরু হবে।

এক বিবৃতিতে সৌদি সুপ্রিম কোর্ট জানায়, যারা চাঁদের দেখা পাবেনচোখে কিংবা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমেতাদের নিকটস্থ আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান করতে অনুরোধ করা হয়েছে। রমজান মাস হলো ইসলামিক চন্দ্র ক্যালেন্ডারের নবম মাস। রমজানুল মোবারক ইসলামের এক মহিমান্বিত মাস। এটি শুধু সিয়াম সাধনার মাস নয়; বরং এটি আল্লাহর রহমত বর্ষণের, গুনাহ মাফের এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির বিশেষ সময়। এ মাসের ফজিলত ও মর্যাদা কোরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত।

রমজান মাসে মুসলমানরা ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় খাবার ও পানীয় থেকে এবং অন্যান্য শারীরিক চাহিদা থেকে বিরত থাকে। সূর্যাস্তের পর কিছু খাবার গ্রহণের মাধ্যমে রোজা ভাঙা হয়, যাকে ইফতার বলা হয়। এদিকে, রমজান মাস উপলক্ষে সৌদি আরবসহ জিসিসিভুক্ত দেশগুলোতের সরকারি ও অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের কর্মঘণ্টা কমানো হয়েছে।