ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিডিয়ার হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের যোগসূত্র ছিল: জামায়াত আমির

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:৫২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৬ বার পড়া হয়েছে

তৎকালীন (আওয়ামী লীগ) সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে বিডিয়ার হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সে কারণেই প্রকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আজও জনসমক্ষে আনা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, এখন বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায়। বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এটি হবে তাদের চরম ব্যর্থতা। অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত এবং নেপথ্যে থাকা প্রধান ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটেছিল, তা ছিল মূলত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ওইদিন যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করে টার্গেট করা হয়েছিল। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিচার ও নেপথ্যের কারণ নিয়ে এখনো রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক রয়ে গেছে।

ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিডিয়ার হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের যোগসূত্র ছিল: জামায়াত আমির

আপডেট সময় ০৩:৫২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তৎকালীন (আওয়ামী লীগ) সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে বিডিয়ার হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সে কারণেই প্রকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আজও জনসমক্ষে আনা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, এখন বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায়। বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এটি হবে তাদের চরম ব্যর্থতা। অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত এবং নেপথ্যে থাকা প্রধান ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটেছিল, তা ছিল মূলত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ওইদিন যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করে টার্গেট করা হয়েছিল। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিচার ও নেপথ্যের কারণ নিয়ে এখনো রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক রয়ে গেছে।