ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারত মহাসাগরে মোতায়েন করা একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বা ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বুধবার (৪ মার্চ) ভোরে এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’ এর ধারাবাহিকতায় এই অভিযান চালানো হয়েছে। ইরানের দক্ষিণ উপকূল থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি কৌশলগত মার্কিন সামরিক সম্পদের ওপর এই সফল আক্রমণ পরিচালনা করা হয়েছে বলে তেহরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আইআরজিসির নৌবাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারত মহাসাগরে অবস্থানরত একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার যখন আমেরিকার একটি জ্বালানি পরিবাহী ট্যাংকার জাহাজ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। অভিযানে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘কদর-৩৬০’ এবং ‘তালাইয়েহ’ নামক উন্নত মানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আইআরজিসি দাবি করেছে, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও জ্বালানি ট্যাংকার উভয়েই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়েছে এবং বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী ভারত মহাসাগরের আকাশে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। ইরানি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’ মূলত ইহুদিবাদী ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানিদের ওপর চালানো ধারাবাহিক আগ্রাসনের একটি চূড়ান্ত ও দাঁতভাঙা জবাব।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আত্মরক্ষার একটি অংশ এবং যেকোনো ধরনের বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে তারা সক্ষম। হামলার পর ওই এলাকায় মার্কিন নৌবাহিনীর উদ্ধার তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে বলে অসমর্থিত কিছু সূত্র দাবি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে পারস্য উপসাগর এবং ভারত মহাসাগরে মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে উত্তজনা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার পর পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের দামামা আরও প্রকট হয়েছে। যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এখন পর্যন্ত তাদের এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য বা আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারত মহাসাগরে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের এই সরাসরি আঘাত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে একটি নতুন এবং অধিকতর বিপজ্জনক মোড়ে নিয়ে যেতে পারে। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি

আপডেট সময় ০২:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

এবার ভারত মহাসাগরে মোতায়েন করা একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বা ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বুধবার (৪ মার্চ) ভোরে এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’ এর ধারাবাহিকতায় এই অভিযান চালানো হয়েছে। ইরানের দক্ষিণ উপকূল থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি কৌশলগত মার্কিন সামরিক সম্পদের ওপর এই সফল আক্রমণ পরিচালনা করা হয়েছে বলে তেহরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আইআরজিসির নৌবাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারত মহাসাগরে অবস্থানরত একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার যখন আমেরিকার একটি জ্বালানি পরিবাহী ট্যাংকার জাহাজ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। অভিযানে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘কদর-৩৬০’ এবং ‘তালাইয়েহ’ নামক উন্নত মানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আইআরজিসি দাবি করেছে, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও জ্বালানি ট্যাংকার উভয়েই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়েছে এবং বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী ভারত মহাসাগরের আকাশে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। ইরানি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’ মূলত ইহুদিবাদী ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানিদের ওপর চালানো ধারাবাহিক আগ্রাসনের একটি চূড়ান্ত ও দাঁতভাঙা জবাব।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আত্মরক্ষার একটি অংশ এবং যেকোনো ধরনের বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে তারা সক্ষম। হামলার পর ওই এলাকায় মার্কিন নৌবাহিনীর উদ্ধার তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে বলে অসমর্থিত কিছু সূত্র দাবি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে পারস্য উপসাগর এবং ভারত মহাসাগরে মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে উত্তজনা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার পর পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের দামামা আরও প্রকট হয়েছে। যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এখন পর্যন্ত তাদের এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য বা আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারত মহাসাগরে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের এই সরাসরি আঘাত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে একটি নতুন এবং অধিকতর বিপজ্জনক মোড়ে নিয়ে যেতে পারে। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি