এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এবার বেগম খালেদা জিয়াসহ মোট ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদান রাখায় তিনি এই পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছে বেগম জিয়া। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এই তথ্য জানান।
সচিব জানান, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছরের মতো এবারও স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ সভায় এ তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। এ বছর বেগম খালেদা জিয়াসহ মোট ২০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সেগুলো হলো–
মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর)
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহরুল করিম
চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক)
সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর)
সংস্কৃতিতে এ, কে, এম, হানিফ (হানিফ সংকেত)
সংস্কৃতিতে বশির আহমেদ (মরণোত্তর)
ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু)
পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম–সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)
সমাজসেবা/জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর)
সমাজসেবা/ জনসেবায় এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ
সমাজসেবা/ জনসেবায় মোঃ সাইদুল হক
সমাজসেবা/ জনসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
সমাজসেবা/ জনসেবায় মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর)
জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অধ্যাপক ড. এম এ রহিম
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া
পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)
প্রতিবছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার এ পুরস্কার প্রদান করে। এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা।





















