প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, চার কোটি পরিবারের নারীপ্রধানের কাছে ৫ বছরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে যাবে। নারীর ক্ষমতায়ন না হলে দেশকে কোনোভাবেই এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর মহাখালীর টিএন্ডটি মাঠে কড়াইল এলাকার নারীদের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণকালে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, ৩৭ হাজার মানুষের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড দিতে সক্ষম হয়েছি। আগামী মাসে কৃষি কার্ডও দিতে সক্ষম হবো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে। যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া তা বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে একটু দেরি হতে পারে।
এ সময় তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩ সিটি করপোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৫১ হাজার ৮০৫টি খানার (Household) তথ্য যাচাইয়ে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য থেকে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।



















