ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০১:৩৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৪ বার পড়া হয়েছে

এবার সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম ব্যবস্থাপনা শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ আট কর্মকর্তা। আগামী ১৫ মার্চ তাদের যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। এর আগে একাধিকবার যাওয়ার তারিখ করা হলেও পরে তা পরিবর্তন করা হয়। ২০১৯ সালে আটটি বিভাগীয় শহরে পূর্ণাঙ্গ ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। এই প্রকল্পেরহিটিং, ভেন্টিলেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং (এইচভিএসি) সিস্টেম ট্রেনিংপ্রোগ্রামের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন আট সরকারি কর্মকর্তা। তবে তাদের খরচ বহন করবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডানহামবুশ।

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য ছাড়পত্র নেওয়া কর্মকতারা হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (/এম) আশরাফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল) কাজী মো. ফিরোজ হোসেন, প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. তৌফিক হাসান ফিরোজ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. মো. আশরাফুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. নাজমুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ, নির্বাহী স্থপতি সিদ্দিকা নাসরিন সুলতানা এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রিসালাত বারি।

গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রকল্প পরিচালক ও অধিদপ্তরের সঙ্গে সাত কর্তকর্তা এসি ব্যবস্থাপনা শিখতে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি নেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘সেফটি ফ্যাসিলিটিস, অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স ম্যানেজমেন্ট অব এইচভিএসি সিস্টেমশীর্ষক ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে আটজন কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র যাবেন। সফরের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি, পাঁচ দিন। তবে যাওয়া ও আসার সময় আলাদাভাবে যুক্ত থাকবে। তবে নির্ধারিত ওই তারিখে কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে যাননি।

পরে নতুন করে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত সফরের অনুমোদন নেওয়া হয়। যাতায়াতের সময় এর বাইরে রাখা হয়। দ্বিতীয়বারও তাদের সফর হয়নি। সর্বশেষ ৪ মার্চ মন্ত্রণালয় থেকে আবারো এ আটজনের বিদেশযাত্রার অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, এসি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে ১৫ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত এসব কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন। গণপূর্ত অধিপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, নির্মাণ প্রক্রিয়া শেষে অর্জিত জ্ঞান প্রয়োগ করা হবে। এ ক্ষেত্রে আমরাই তো এইচভিএসি রক্ষণাবেক্ষণে থাকব। তাই প্রশিক্ষণে যাওয়া হচ্ছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রকৌশলীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ না করতে সতর্ক করল জার্মানি

এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০১:৩৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

এবার সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম ব্যবস্থাপনা শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ আট কর্মকর্তা। আগামী ১৫ মার্চ তাদের যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। এর আগে একাধিকবার যাওয়ার তারিখ করা হলেও পরে তা পরিবর্তন করা হয়। ২০১৯ সালে আটটি বিভাগীয় শহরে পূর্ণাঙ্গ ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। এই প্রকল্পেরহিটিং, ভেন্টিলেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং (এইচভিএসি) সিস্টেম ট্রেনিংপ্রোগ্রামের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন আট সরকারি কর্মকর্তা। তবে তাদের খরচ বহন করবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডানহামবুশ।

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য ছাড়পত্র নেওয়া কর্মকতারা হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (/এম) আশরাফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল) কাজী মো. ফিরোজ হোসেন, প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. তৌফিক হাসান ফিরোজ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. মো. আশরাফুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. নাজমুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ, নির্বাহী স্থপতি সিদ্দিকা নাসরিন সুলতানা এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রিসালাত বারি।

গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রকল্প পরিচালক ও অধিদপ্তরের সঙ্গে সাত কর্তকর্তা এসি ব্যবস্থাপনা শিখতে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি নেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘সেফটি ফ্যাসিলিটিস, অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স ম্যানেজমেন্ট অব এইচভিএসি সিস্টেমশীর্ষক ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে আটজন কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র যাবেন। সফরের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি, পাঁচ দিন। তবে যাওয়া ও আসার সময় আলাদাভাবে যুক্ত থাকবে। তবে নির্ধারিত ওই তারিখে কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে যাননি।

পরে নতুন করে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত সফরের অনুমোদন নেওয়া হয়। যাতায়াতের সময় এর বাইরে রাখা হয়। দ্বিতীয়বারও তাদের সফর হয়নি। সর্বশেষ ৪ মার্চ মন্ত্রণালয় থেকে আবারো এ আটজনের বিদেশযাত্রার অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, এসি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে ১৫ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত এসব কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন। গণপূর্ত অধিপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, নির্মাণ প্রক্রিয়া শেষে অর্জিত জ্ঞান প্রয়োগ করা হবে। এ ক্ষেত্রে আমরাই তো এইচভিএসি রক্ষণাবেক্ষণে থাকব। তাই প্রশিক্ষণে যাওয়া হচ্ছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রকৌশলীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।