ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সৌদিতে মিসাইল হামলায় নিহত প্রবাসী মামুন

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ৫১২ বার পড়া হয়েছে

এবার সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে মিসাইল হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার এক প্রবাসী যুবক। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত প্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের বাসিন্দা শহীদ সওদাগরের ছেলে। বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে তার বাবা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মার্চ, ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় গুরুতর আহত হন মামুন। তিনি আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির অধীনে কাজ করতেন। বিস্ফোরণে তার শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে যায়।

আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত স্থানীয় ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, মামুন এক সন্তানের জনক ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক। একই সঙ্গে দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। উল্লেখ্য, একই ঘটনায় আরও কয়েকজন বাংলাদেশি হতাহত হন। 

জনপ্রিয় সংবাদ

আফগানিস্তানের ইতিহাস সবাই জানে, সেই ইতিহাস ফিরে আসলে পাকিস্তানের জন্য ভালো হবে না: আফগান খেলোয়াড়

সৌদিতে মিসাইল হামলায় নিহত প্রবাসী মামুন

আপডেট সময় ১২:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

এবার সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে মিসাইল হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার এক প্রবাসী যুবক। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত প্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের বাসিন্দা শহীদ সওদাগরের ছেলে। বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে তার বাবা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মার্চ, ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় গুরুতর আহত হন মামুন। তিনি আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির অধীনে কাজ করতেন। বিস্ফোরণে তার শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে যায়।

আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত স্থানীয় ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, মামুন এক সন্তানের জনক ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক। একই সঙ্গে দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। উল্লেখ্য, একই ঘটনায় আরও কয়েকজন বাংলাদেশি হতাহত হন।