ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন দেশ থেকে একদিনে এলো ৩৪ রেমিটেন্স যোদ্ধার মরদেহ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৩০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৬৫ বার পড়া হয়েছে

এবার কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়াএই তিন দেশ থেকে এক দিনেই ৩৪ জন প্রবাসীর মরদেহ এসে পৌঁছেছে দেশে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) পৃথক ফ্লাইটে এই ৩৪ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মরদেহগুলো দীর্ঘদিন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আটকে ছিল।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, এই ৩৪ জনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মরদেহগুলো দীর্ঘদিন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আটকে ছিল।

এদিকে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের দেওয়া তথ্যানুসারে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত থেকে সবচেয়ে বেশি মরদেহ এসেছে। গতকাল সন্ধ্যায় কুয়েত এয়ারলাইনসের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে একযোগে ৩০ জন প্রবাসীর মরদেহ আসে। এছাড়া লিবিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে আসা অন্য ফ্লাইটে দুটি করে মোট চারটি মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তরের সময় সরকারের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে দাফন ও অন্যান্য খরচ বাবদ প্রতিটি পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়ছে। এছাড়া এসব প্রবাসীদের পরিবার অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা বা বীমা পাওয়ার যোগ্য হলে, তা দ্রুত প্রদান করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এদিকে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের সময় বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

তিন দেশ থেকে একদিনে এলো ৩৪ রেমিটেন্স যোদ্ধার মরদেহ

আপডেট সময় ১০:৩০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

এবার কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়াএই তিন দেশ থেকে এক দিনেই ৩৪ জন প্রবাসীর মরদেহ এসে পৌঁছেছে দেশে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) পৃথক ফ্লাইটে এই ৩৪ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মরদেহগুলো দীর্ঘদিন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আটকে ছিল।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, এই ৩৪ জনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মরদেহগুলো দীর্ঘদিন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আটকে ছিল।

এদিকে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের দেওয়া তথ্যানুসারে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত থেকে সবচেয়ে বেশি মরদেহ এসেছে। গতকাল সন্ধ্যায় কুয়েত এয়ারলাইনসের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে একযোগে ৩০ জন প্রবাসীর মরদেহ আসে। এছাড়া লিবিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে আসা অন্য ফ্লাইটে দুটি করে মোট চারটি মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তরের সময় সরকারের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে দাফন ও অন্যান্য খরচ বাবদ প্রতিটি পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়ছে। এছাড়া এসব প্রবাসীদের পরিবার অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা বা বীমা পাওয়ার যোগ্য হলে, তা দ্রুত প্রদান করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এদিকে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের সময় বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।