ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনরোষের মুখে পদত্যাগ করলেন শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

এবার তীব্র জনরোষের মুখে পদত্যাগ করেছেন শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী কুমারা জয়াকোডি। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সচিব উদয়াঙ্গা হেমাপালাও পদত্যাগ করেছেন। সম্প্রতি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লা আমদানি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা যায়। গত শুক্রবার দেশটির প্রেসিডেন্টের গণমাধ্যম দপ্তরের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রয়টার্সের প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়, নিম্নমানের কয়লা আমদানির অভিযোগের তদন্তের পথ সুগম করতে মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকের কাছে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ সাংবাদিকদের বলেন, যথাযথ ক্রয়প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে এবং মন্ত্রীর সরাসরি সম্পৃক্ততায় কোনো জালিয়াতি বা দুর্নীতি ঘটেনি।

তিনি জানান, ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে, যাতে স্বচ্ছতা বাড়ে এবং জনগণের আস্থা জোরদার হয়। জয়াকোডি দুর্নীতির অভিযোগে পদত্যাগ করা প্রথম উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে সংসদে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হলেও তা পাস হয়নি। এদিকে প্রেসিডেন্ট দিসানায়েক ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য হওয়া সব কয়লা আমদানির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি এর আগে স্বীকার করেছিলেন, নিম্নমানের কয়লা সরবরাহ রাষ্ট্রায়ত্ত লাকভিজয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ পূরণ করতে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে বছরে প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন হয়। উৎপাদন কমে যাওয়ায় ঘাটতি পূরণে গত মাসে জরুরি ভিত্তিতে ৩ লাখ মেট্রিক টন কয়লা আমদানি করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদিতে ভিক্ষাবৃত্তি, দেশে ফিরতেই ৩ নারীসহ আটক ৪ 

জনরোষের মুখে পদত্যাগ করলেন শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

এবার তীব্র জনরোষের মুখে পদত্যাগ করেছেন শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী কুমারা জয়াকোডি। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সচিব উদয়াঙ্গা হেমাপালাও পদত্যাগ করেছেন। সম্প্রতি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লা আমদানি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা যায়। গত শুক্রবার দেশটির প্রেসিডেন্টের গণমাধ্যম দপ্তরের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রয়টার্সের প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়, নিম্নমানের কয়লা আমদানির অভিযোগের তদন্তের পথ সুগম করতে মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকের কাছে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ সাংবাদিকদের বলেন, যথাযথ ক্রয়প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে এবং মন্ত্রীর সরাসরি সম্পৃক্ততায় কোনো জালিয়াতি বা দুর্নীতি ঘটেনি।

তিনি জানান, ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে, যাতে স্বচ্ছতা বাড়ে এবং জনগণের আস্থা জোরদার হয়। জয়াকোডি দুর্নীতির অভিযোগে পদত্যাগ করা প্রথম উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে সংসদে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হলেও তা পাস হয়নি। এদিকে প্রেসিডেন্ট দিসানায়েক ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য হওয়া সব কয়লা আমদানির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি এর আগে স্বীকার করেছিলেন, নিম্নমানের কয়লা সরবরাহ রাষ্ট্রায়ত্ত লাকভিজয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ পূরণ করতে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে বছরে প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন হয়। উৎপাদন কমে যাওয়ায় ঘাটতি পূরণে গত মাসে জরুরি ভিত্তিতে ৩ লাখ মেট্রিক টন কয়লা আমদানি করা হয়েছে।