ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:০৮:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

এবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ওডিপফেকপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরির অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী ও চিকিৎসক তাসনিম জারাসহ বিভিন্ন খ্যাতনামা ব্যক্তির কণ্ঠ ও ছবি নকল করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ও শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পল্টন মডেল থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেনমো. সারাফাত হোসেন (২১), সাফায়েত হোসেন শুভ (২১), তৌকি তাজওয়ার ইলহাম (১৯), তাকিবুল হাসান (২১), আব্দুল্লাহ আল ফাহিম (২২), মিনহাজুর রহমান শাহেদ (১৯), শাহামান তৌফিক (২১), ইমন হোসেন বিজয় (২১), অমিদ হাসান (২১) ও মো. ইমরান (২৪)

হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১১টি ল্যাপটপ, ৪৭টি স্মার্টফোন, ২টি পেনড্রাইভ, ২১টি সিম কার্ড এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ড. মিজানুর রহমান আজহারী, ডা. তাসনিম জারা এবং ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিদের ছবি ও কণ্ঠস্বর এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে হুবহু নকল করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করে আসছিল। এসব ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তিরা নিজেরাই নির্দিষ্ট কিছু ভেষজ বা যৌন উত্তেজক ওষুধের গুণগান করছেন। সাধারণ মানুষ তাদের কথা বিশ্বাস করে এসব পণ্য কিনে প্রতারিত হচ্ছিলেন।

গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি মিজানুর রহমান আজহারী প্রথম তার নামে চলা এমন ভুয়া ভিডিওর বিষয়ে জানতে পারেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সতর্ক করেন। এরপর এ বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে আজহারীর পক্ষে বিল্লাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬এর নির্দিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে পল্টন মডেল থানা পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ কলোনি থেকে ৯ জনকে এবং শুক্রবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে মূল হোতা ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে, তারা জনপ্রিয় ব্যক্তিদের সুনাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার

আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০

আপডেট সময় ০৪:০৮:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

এবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ওডিপফেকপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরির অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী ও চিকিৎসক তাসনিম জারাসহ বিভিন্ন খ্যাতনামা ব্যক্তির কণ্ঠ ও ছবি নকল করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ও শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পল্টন মডেল থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেনমো. সারাফাত হোসেন (২১), সাফায়েত হোসেন শুভ (২১), তৌকি তাজওয়ার ইলহাম (১৯), তাকিবুল হাসান (২১), আব্দুল্লাহ আল ফাহিম (২২), মিনহাজুর রহমান শাহেদ (১৯), শাহামান তৌফিক (২১), ইমন হোসেন বিজয় (২১), অমিদ হাসান (২১) ও মো. ইমরান (২৪)

হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১১টি ল্যাপটপ, ৪৭টি স্মার্টফোন, ২টি পেনড্রাইভ, ২১টি সিম কার্ড এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ড. মিজানুর রহমান আজহারী, ডা. তাসনিম জারা এবং ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিদের ছবি ও কণ্ঠস্বর এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে হুবহু নকল করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করে আসছিল। এসব ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তিরা নিজেরাই নির্দিষ্ট কিছু ভেষজ বা যৌন উত্তেজক ওষুধের গুণগান করছেন। সাধারণ মানুষ তাদের কথা বিশ্বাস করে এসব পণ্য কিনে প্রতারিত হচ্ছিলেন।

গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি মিজানুর রহমান আজহারী প্রথম তার নামে চলা এমন ভুয়া ভিডিওর বিষয়ে জানতে পারেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সতর্ক করেন। এরপর এ বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে আজহারীর পক্ষে বিল্লাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬এর নির্দিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে পল্টন মডেল থানা পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ কলোনি থেকে ৯ জনকে এবং শুক্রবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে মূল হোতা ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে, তারা জনপ্রিয় ব্যক্তিদের সুনাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন।