ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিধ্বস্ত গাজায় এক দিনে ৩০০ যুগলের গণবিয়ে

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৫৯ বার পড়া হয়েছে

এবার দখলদার ইসরাইলের হামলায় বিধ্বস্ত গাজায় এক দিনে ৩০০ যুগলের গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তায় মধ্য গাজায় এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সম্পন্ন হয়। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই গণবিয়েতে নবদম্পতিদের পরিবার, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষসহ প্রায় ২০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

গালান্ত নাইট ৩নামের একটি কর্মসূচির আওতায় এই আয়োজন করা হয়। মূলত যারা আর্থিক সংকটের কারণে বিয়ে করতে পারছিলেন না, তাদের জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। আয়োজকেরা জানান, কয়েক হাজার আবেদন থেকে বাছাই করে ৩০০ যুগলকে নির্বাচিত করা হয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল। অবিবাহিত এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছলদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয় নির্বাচনে।

বিয়ের পাশাপাশি নবদম্পতিদের বিভিন্ন উপহার ও সহায়তাও প্রদান করা হয়, যাতে তারা নতুন জীবন শুরু করতে পারেন।

অনুষ্ঠানটি পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর একে একে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ফিলিস্তিনি সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং অনুষ্ঠানে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিস্তিনের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

বিধ্বস্ত গাজায় এক দিনে ৩০০ যুগলের গণবিয়ে

আপডেট সময় ০২:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

এবার দখলদার ইসরাইলের হামলায় বিধ্বস্ত গাজায় এক দিনে ৩০০ যুগলের গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তায় মধ্য গাজায় এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সম্পন্ন হয়। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই গণবিয়েতে নবদম্পতিদের পরিবার, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষসহ প্রায় ২০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

গালান্ত নাইট ৩নামের একটি কর্মসূচির আওতায় এই আয়োজন করা হয়। মূলত যারা আর্থিক সংকটের কারণে বিয়ে করতে পারছিলেন না, তাদের জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। আয়োজকেরা জানান, কয়েক হাজার আবেদন থেকে বাছাই করে ৩০০ যুগলকে নির্বাচিত করা হয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল। অবিবাহিত এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছলদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয় নির্বাচনে।

বিয়ের পাশাপাশি নবদম্পতিদের বিভিন্ন উপহার ও সহায়তাও প্রদান করা হয়, যাতে তারা নতুন জীবন শুরু করতে পারেন।

অনুষ্ঠানটি পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর একে একে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ফিলিস্তিনি সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং অনুষ্ঠানে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিস্তিনের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।