ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার গঠনের ৪৫ দিনেই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য ‘জমি’ দেবে বিজেপি: এনডিটিভি

এবার পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশভারত সীমান্তে বেড়া নির্মাণে জমি বরাদ্দ দেবে বিজেপি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপির এক নেতার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। এক দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ জয় করতে মরিয়া ছিলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) গেরুয়া ঝড়ের তান্ডবে যখন তছনছ তৃণমূল; বাংলায় তখন পদ্মফুলের জয়জয়কার। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে লেখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ফুটেছেপদ্ম  

এমন বিজয় উল্লাসের কারণটাও অবশ্য স্পষ্ট। তৃণমূলের দেড় দশকের শাসনে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে।  এর আগে, ২০২১ সালে, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফর কার্যপরিধি ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করার প্রস্তাব দিয়েছিলো মোদি সরকার।  তবে, একে রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি করে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ক্ষমতাসীন তৃণমূল সরকার।

বিতর্কিত সিএএ আর এনআরসি আইন নিয়েও তৈরি হয় তুমুল বিরোধ। কেন্দ্র সরকার কার্যকরের নিয়ম জারি করলেও বাস্তবায়ন হতে দেননি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জি। ফলে, বিজেপির তথাকথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া থমকে যায়। এছাড়া খাগড়াগড় বিস্ফোরণ থেকে শুরু করে ভূপতিনগর বিস্ফোরণের মতো একাধিক ঘটনা তদন্ত নিয়েও বাড়ে টানাপোড়েন। এসব ঘটনা তদন্তে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতারও অভিযোগ আনে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলো।  ২১ সালের বিধানসভা, ২৩র পঞ্চায়েত ও ২৪র লোকসভা নির্বাচনে স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েও তুঙ্গে উঠে উভয়পক্ষের বিরোধ।  তবে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর দ্রুতই পরিস্থিতি বদলে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। 

বিজেপি নেতাদের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্যজমিবরাদ্দ দেবে নবগঠিত বিজেপি সরকার। ভারতবাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ শূন্যে নামিয়ে আনতেই এমন পদক্ষেপ নেবে গোরুয়া শিবির। বিজেপি নেতারা বলছেন, বিএসএফ ও পুলিশের যৌথ অভিযান জোরদারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগও দেবে মোদি সরকার।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজ ৯ বছরের সিফাত

সরকার গঠনের ৪৫ দিনেই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য ‘জমি’ দেবে বিজেপি: এনডিটিভি

আপডেট সময় ১১:৫১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

এবার পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশভারত সীমান্তে বেড়া নির্মাণে জমি বরাদ্দ দেবে বিজেপি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপির এক নেতার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। এক দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ জয় করতে মরিয়া ছিলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) গেরুয়া ঝড়ের তান্ডবে যখন তছনছ তৃণমূল; বাংলায় তখন পদ্মফুলের জয়জয়কার। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে লেখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ফুটেছেপদ্ম  

এমন বিজয় উল্লাসের কারণটাও অবশ্য স্পষ্ট। তৃণমূলের দেড় দশকের শাসনে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে।  এর আগে, ২০২১ সালে, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফর কার্যপরিধি ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করার প্রস্তাব দিয়েছিলো মোদি সরকার।  তবে, একে রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি করে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ক্ষমতাসীন তৃণমূল সরকার।

বিতর্কিত সিএএ আর এনআরসি আইন নিয়েও তৈরি হয় তুমুল বিরোধ। কেন্দ্র সরকার কার্যকরের নিয়ম জারি করলেও বাস্তবায়ন হতে দেননি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জি। ফলে, বিজেপির তথাকথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া থমকে যায়। এছাড়া খাগড়াগড় বিস্ফোরণ থেকে শুরু করে ভূপতিনগর বিস্ফোরণের মতো একাধিক ঘটনা তদন্ত নিয়েও বাড়ে টানাপোড়েন। এসব ঘটনা তদন্তে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতারও অভিযোগ আনে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলো।  ২১ সালের বিধানসভা, ২৩র পঞ্চায়েত ও ২৪র লোকসভা নির্বাচনে স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েও তুঙ্গে উঠে উভয়পক্ষের বিরোধ।  তবে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর দ্রুতই পরিস্থিতি বদলে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। 

বিজেপি নেতাদের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্যজমিবরাদ্দ দেবে নবগঠিত বিজেপি সরকার। ভারতবাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ শূন্যে নামিয়ে আনতেই এমন পদক্ষেপ নেবে গোরুয়া শিবির। বিজেপি নেতারা বলছেন, বিএসএফ ও পুলিশের যৌথ অভিযান জোরদারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগও দেবে মোদি সরকার।