ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কংগ্রেসের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে থালাপতি বিজয়

এবার ভারতের তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া সি জোসেফ বিজয়ের (থালাপতি বিজয়) দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) এবার নির্বাচনে ১০৮টি আসন জিতে সবচেয়ে বড় দল হয়েছে। ২৩৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গড়তে দরকার ১১৮ আসন। সে হিসেবে বিজয়ের দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে মাত্র ১০টি আসন দূরে ছিল। ফলে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আরও এগিয়ে গেলেন অভিনেতা।  কেননা তার দল (টিভিকে) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এবার রাজ্য সরকার গঠনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস তাদের সমর্থন দিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করে দলের সাংসদ সসিকান্ত সেথিল বলেন, দলের পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স কমিটি তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটিকে (টিএনসিসি) টিভিকেকে সমর্থন করার অনুমোদন দিয়েছে। এতে সরকার গঠনের জন্য ১১৮টি আসনের আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেল বিজয়ের দল টিভিকে। এ রাজ্যে পুরোনো ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে দল দুটিকে পরাজিত করে ১০৮টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজয়ের দল। একইসঙ্গে জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে আরও পাঁচটি আসন যুক্ত হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) এবং বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চিএর সমর্থনও পাওয়ার আশা করছে বিজয়ের দল টিভিকে।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী শুরু থেকেই টিভিকেকে সমর্থনের পক্ষে ছিলেন বলে সূত্রে জানা যায়। যদিও দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে চেয়েছিলেন, এই সিদ্ধান্ত তামিলনাড়ুর রাজ্য নেতৃত্বই নিক। পরে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে রাজ্য ইউনিটকে সমর্থনের অনুমতি দেওয়া হয়। জানা গেছে, টিভিকে সরকারে কংগ্রেস দুটি মন্ত্রিত্ব প্রত্যাশা করছে। একইসঙ্গে তারা শর্ত দিয়েছে, টিভিকে যেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স বা তার সহযোগী দলগুলোর সঙ্গেবিশেষ করে অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাঝগমএর সঙ্গে কোনও জোট না করে।

দীর্ঘদিন ধরে যে রাজ্যে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের প্রভাব ছিল, সেখানে এবার নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটেছে। এখন সবাই অপেক্ষা করছে ৭ মে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য। চেন্নাইয়ের পানাইয়ুরে এখন ব্যস্ততা চলছে। সেখানেই টিভিকেএর প্রধান কার্যালয়ে কংগ্রেস বিধায়কদের সঙ্গে বিজয়ের বৈঠক হওয়ার কথা। এই জোট সফল হলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হবে। সিনেমারথালাপতিএবার বাস্তবজীবনে শাসকের ভূমিকায় আসতে চলেছেন, এটাই এখন সবার নজরে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ ‘অবৈধ’: চীন

কংগ্রেসের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে থালাপতি বিজয়

আপডেট সময় ০১:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

এবার ভারতের তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া সি জোসেফ বিজয়ের (থালাপতি বিজয়) দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) এবার নির্বাচনে ১০৮টি আসন জিতে সবচেয়ে বড় দল হয়েছে। ২৩৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গড়তে দরকার ১১৮ আসন। সে হিসেবে বিজয়ের দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে মাত্র ১০টি আসন দূরে ছিল। ফলে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আরও এগিয়ে গেলেন অভিনেতা।  কেননা তার দল (টিভিকে) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এবার রাজ্য সরকার গঠনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস তাদের সমর্থন দিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করে দলের সাংসদ সসিকান্ত সেথিল বলেন, দলের পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স কমিটি তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটিকে (টিএনসিসি) টিভিকেকে সমর্থন করার অনুমোদন দিয়েছে। এতে সরকার গঠনের জন্য ১১৮টি আসনের আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেল বিজয়ের দল টিভিকে। এ রাজ্যে পুরোনো ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে দল দুটিকে পরাজিত করে ১০৮টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজয়ের দল। একইসঙ্গে জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে আরও পাঁচটি আসন যুক্ত হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) এবং বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চিএর সমর্থনও পাওয়ার আশা করছে বিজয়ের দল টিভিকে।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী শুরু থেকেই টিভিকেকে সমর্থনের পক্ষে ছিলেন বলে সূত্রে জানা যায়। যদিও দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে চেয়েছিলেন, এই সিদ্ধান্ত তামিলনাড়ুর রাজ্য নেতৃত্বই নিক। পরে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে রাজ্য ইউনিটকে সমর্থনের অনুমতি দেওয়া হয়। জানা গেছে, টিভিকে সরকারে কংগ্রেস দুটি মন্ত্রিত্ব প্রত্যাশা করছে। একইসঙ্গে তারা শর্ত দিয়েছে, টিভিকে যেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স বা তার সহযোগী দলগুলোর সঙ্গেবিশেষ করে অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাঝগমএর সঙ্গে কোনও জোট না করে।

দীর্ঘদিন ধরে যে রাজ্যে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের প্রভাব ছিল, সেখানে এবার নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটেছে। এখন সবাই অপেক্ষা করছে ৭ মে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য। চেন্নাইয়ের পানাইয়ুরে এখন ব্যস্ততা চলছে। সেখানেই টিভিকেএর প্রধান কার্যালয়ে কংগ্রেস বিধায়কদের সঙ্গে বিজয়ের বৈঠক হওয়ার কথা। এই জোট সফল হলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হবে। সিনেমারথালাপতিএবার বাস্তবজীবনে শাসকের ভূমিকায় আসতে চলেছেন, এটাই এখন সবার নজরে।