ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৫-২০ শতাংশ বাড়ছে বিদ্যুতের দাম, ১ জুন থেকেই কার্যকর

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৬৪০ বার পড়া হয়েছে

এবার বাড়তি খরচের নতুন ধাক্কা আসছে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ওপর। আগামীকাল বুধবার বিদ্যুতের নতুন মূল্য ঘোষণা করতে পারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।তবে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকালাইফ লাইনসুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

এদিকে বিইআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না শর্তে বলেন, ‘আগামীকাল বুধবার সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির হার চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বিকেলের দিকে বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করা হতে পারে। নতুন মূল্যহার ১ জুন থেকে কার্যকর করা হবে।বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও বলেন, ‘কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে এবং আগামীকালই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণের অংশ হিসেবেই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন। দুই মাস আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত একটি মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ থেকে ১.৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে। সেই সুপারিশ অনুযায়ী বিইআরসির মাধ্যমে মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে। তবে বিইআরসির কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা মূল্যবৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। কমিশন সেই সুপারিশ গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের চাপে সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যে কষ্টে আছে। এর মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়লে পণ্য ও সেবার উৎপাদন ব্যয় আরো বাড়বে, ফলে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে এবং সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা আরো কঠিন হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

১৫-২০ শতাংশ বাড়ছে বিদ্যুতের দাম, ১ জুন থেকেই কার্যকর

আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

এবার বাড়তি খরচের নতুন ধাক্কা আসছে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ওপর। আগামীকাল বুধবার বিদ্যুতের নতুন মূল্য ঘোষণা করতে পারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।তবে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকালাইফ লাইনসুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

এদিকে বিইআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না শর্তে বলেন, ‘আগামীকাল বুধবার সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির হার চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বিকেলের দিকে বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করা হতে পারে। নতুন মূল্যহার ১ জুন থেকে কার্যকর করা হবে।বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও বলেন, ‘কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে এবং আগামীকালই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণের অংশ হিসেবেই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন। দুই মাস আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত একটি মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ থেকে ১.৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে। সেই সুপারিশ অনুযায়ী বিইআরসির মাধ্যমে মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে। তবে বিইআরসির কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা মূল্যবৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। কমিশন সেই সুপারিশ গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের চাপে সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যে কষ্টে আছে। এর মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়লে পণ্য ও সেবার উৎপাদন ব্যয় আরো বাড়বে, ফলে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে এবং সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা আরো কঠিন হবে।