ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগের দামেই বিদ্যুৎ পাবেন যে গ্রাহকরা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:৩০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ৫৫৬ বার পড়া হয়েছে

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণার মাত্র এক দিনের মাথায় নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের জন্য এসেছে স্বস্তির খবর। আবাসিক খাতের লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য বাড়তি মূল্য প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে এসব গ্রাহক আগের দামেই বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এ বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত জানাতে পারে। ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের আবাসিক গ্রাহকদের জন্য বাড়তি মূল্য প্রত্যাহারের আবেদন করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিইআরসি বিভিন্ন বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে বুধবার পাইকারি ও খুচরাদুই পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। জুন মাস থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। নতুন দরে আবাসিক লাইফলাইন শ্রেণির গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ৫ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা আগের তুলনায় ৬৯ পয়সা বেশি। এই শ্রেণির গ্রাহকেরা মাসে সর্বোচ্চ ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। সাধারণত একটি ফ্যান ও এক বা দুটি বাতি ব্যবহারকারী নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

এ ছাড়া মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য প্রতি ইউনিট মূল্য ৬ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা আগের চেয়ে ৯২ পয়সা বেশি। তবে নতুন করে মূল্য সংশোধনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের দাম আগের মতো প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৬৩ পয়সাই থাকবে। একইভাবে প্রথম ধাপের (৭৫ ইউনিট) গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট মূল্য হবে ৫ টাকা ২৬ পয়সা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশ এই দুই শ্রেণির আওতায় রয়েছে। তাই মূল্যবৃদ্ধি বহাল থাকলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হতো। পিডিবির কর্মকর্তাদের মতে, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের সুরক্ষা দিতেই মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিইআরসি অনুমোদন দিলে এসব গ্রাহক আগের হারেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

আগের দামেই বিদ্যুৎ পাবেন যে গ্রাহকরা

আপডেট সময় ০৪:৩০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণার মাত্র এক দিনের মাথায় নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের জন্য এসেছে স্বস্তির খবর। আবাসিক খাতের লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য বাড়তি মূল্য প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে এসব গ্রাহক আগের দামেই বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এ বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত জানাতে পারে। ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের আবাসিক গ্রাহকদের জন্য বাড়তি মূল্য প্রত্যাহারের আবেদন করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিইআরসি বিভিন্ন বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে বুধবার পাইকারি ও খুচরাদুই পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। জুন মাস থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। নতুন দরে আবাসিক লাইফলাইন শ্রেণির গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ৫ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা আগের তুলনায় ৬৯ পয়সা বেশি। এই শ্রেণির গ্রাহকেরা মাসে সর্বোচ্চ ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। সাধারণত একটি ফ্যান ও এক বা দুটি বাতি ব্যবহারকারী নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

এ ছাড়া মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য প্রতি ইউনিট মূল্য ৬ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা আগের চেয়ে ৯২ পয়সা বেশি। তবে নতুন করে মূল্য সংশোধনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের দাম আগের মতো প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৬৩ পয়সাই থাকবে। একইভাবে প্রথম ধাপের (৭৫ ইউনিট) গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট মূল্য হবে ৫ টাকা ২৬ পয়সা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশ এই দুই শ্রেণির আওতায় রয়েছে। তাই মূল্যবৃদ্ধি বহাল থাকলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হতো। পিডিবির কর্মকর্তাদের মতে, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের সুরক্ষা দিতেই মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিইআরসি অনুমোদন দিলে এসব গ্রাহক আগের হারেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন।